কলকাতা: বিজেপিতে যোগ দিলেন ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। রাজ্যে পালাবদলের পরই তাঁরা রাজ্যসভায় তাঁদের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। কেউ মুখ খুলেছিলেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আর এবার সেই সুস্মিতা দেব, সুখেন্দুশেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইক যোগ দিলেন বিজেপিতে। সল্টলেকের বিজেপি অফিসে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে বিজেপির পতাকা নিজেদের হাতে তুলে নেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আজ নবান্নে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়
উল্লেখ্য, এদিন বিকালে বিজেপির সল্টলেকের পার্টি অফিসে আসেন সুস্মিতা দেব ও সুখেন্দুশেখর রায়। তারপর সেখানে আসেন প্রকাশ চিক বরাইক। আর তারপরই প্রশ্ন উঠছে বিশেষজ্ঞ মহলে যে তবে কি এবার বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী হচ্ছেন তাঁরা? গত সোমবার অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন সুখেন্দুশেখর রায়। আগেই রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইক। প্রসঙ্গত, ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার ৩ আসনে উপনির্বাচন। সুখেন্দুশেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক ও সুস্মিতা দেবের পদত্যাগের ফলেই হবে এই নির্বাচন।
রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এই ৩ সাংসদ বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তাঁরা খুশি, খুশি হয়েছেন বিজেপি কর্মীরাও। যদিও রাজ্য সভায় তাঁরা প্রার্থী হচ্ছেন কি না, তা নিয়ে কিছুই খোলসা করে বলেননি রাজ্য বিজেপির সভাপতি। সুখেন্দু শেখর রায় পাস থেকে বলেন, আপাতত বিজেপির সভায় আমাদের দেখতে পাবেন।
এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সুখেন্দু শেখর রায়ের বাবা শিবেন্দু শেখর রায়ের প্রসঙ্গও আসে। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “শিবেন্দু শেখর রায়ের জন্য আজ ফরক্কা ব্রিজ দেখতে পাচ্ছেন। মালদাকে এই দেশের মধ্যে দেখতে পাচ্ছেন। আজ উনি না থাকলে যাঁরা ওখানের লিগ্যাসিকে এনজয় করছেন, তাঁরা কংগ্রেসের পতাকা হাতে নিয়ে কোন দিকে ছিলেন সেটাও মানুষ জানেন। এই সব ইতিহাস এই সরকারের আমলে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসবে।”
তৃণমূলের জন্য বিজেপির দরজা এখনও বন্ধ, জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাহলে সুস্মিতা দেব, সুখেন্দুশেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইকের যোগদান? এই প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ব্যতিক্রম তো থাকবেই। এর পর তিনি বলেন, পার্টির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি আরও বলেন, “৪ ঘণ্টার তৃণমূলের জন্য দরজা বন্ধ। যারা মানুষের সম্পত্তি লুঠ করেছেন, তাঁদের জন্য দরজা বন্ধ।”
Suvendu Adhikari: নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের
