আতলান্তা: তিনি বিশ্বফুটবলের কিংবদন্তি। তাঁকে বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসাবেও মেনে নেন প্রায় সকলেই। বিশ্ব ফুটবলের হেন কোনও কোহিনূর নেই, যা তিনি অর্জন করেননি।
অথচ ৩৯ বছর বয়সেও সেই লিওনেল মেসি (Lionel Messi) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোনও দিন মাঠে নামেননি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যে সুযোগ পাচ্ছেন এলএমটেন। আতলান্তা স্টেডিয়ামে বুধবার ভারতীয় সময় রাত সাড়ে বারোটার ম্যাচে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইালে মুখোমুখি আর্জেন্তিনা ও ইংল্যান্ড। এই প্রথম ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলবেন মেসি।
যে ম্যাচ নিয়ে রোমাঞ্চিত মেসি নিজেও। স্যুইৎজ়ারল্যান্ডকে কোয়ার্টার ফাইনালে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করার পর মেসি বলেছেন, ‘ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে আমি যা কিছু দেখেছি আর মনে রয়েছে, সবটাই ভিডিওতে। আমরা আর্জেন্তিনার মানুষ দেখি আর স্বস্তি পাই। তবে আমার বিশ্বাস এই ধরনের প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে খেলাটা আমাদের পক্ষে স্বাভাবিক। প্রতিপক্ষ কারা সেটা বড় বিষয় নয়।’
এখানেই শেষ নয়, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ যে তাঁর কাছে স্পেশ্যাল, সেটাও জানিয়েছেন মেসি। বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলাটা আমার কাছে স্পেশ্যাল। কারণ ওরা ভাল দল। ব্যক্তিগতভাবে বললে, এই প্রথম আমি ওদের বিরুদ্ধে খেলব। ইংল্যান্ড ছাড়া সব দলের বিরুদ্ধে খেলেছি। এটা দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। তবে ম্যাচটা যেরকম আসছে, সেভাবেই নিতে চাই। দারুণ একটা দেশের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। এই ম্যাচের আগে সবচেয়ে ভাল চিন্তাভাবনা হল প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য তৈরি হওয়া।’
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কখনও না খেললেও, প্রিমিয়ার লিগের দলের বিরুদ্ধে খেলেছেন মেসি। ইংল্যান্ডের ক্লাবগুলির বিরুদ্ধে ৩৫টি ম্যাচে ২৭ গোল রয়েছে মেসির। ৬টি গোলে সহায়তাও করেছেন।
🎶 Soy hincha de la selección. La aliento con el corazón 🩵🤍
¡Qué linda locura! 😍 pic.twitter.com/Yxt4reYjr4
— 🇦🇷 Selección Argentina ⭐⭐⭐ (@Argentina) July 12, 2026
২১ বছর পর আর্জেন্তিনা ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি হচ্ছে। ২০০৫ সালে শেষবার একে অন্যের বিরুদ্ধে খেলেছিল তারা। সেই ফ্রেন্ডলি ম্যাচে ৩-২ গোলে জিতেছিল ইংল্যান্ড। মেসি সেই ম্যাচে খেলেননি। তার কিছুদিন আগেই আর্জেন্তিনার জার্সিতে প্রথম ম্যাচেই লাল কার্ড দেখার পর সেই ম্যাচে নির্বাসিত ছিলেন মেসি। এবার সেই আক্ষের সুদে-আসলে মিটিয়ে নেওয়ার সুযোগ মেসির সামনে।
