Jitendra Tiwari : ‘সব কালেকশন মাস্টার হয়ে গেছে’… নিজের দলের কর্মীদের একাংশর বিরুদ্ধেই ভয়ঙ্কর অভিযোগ বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির


মনোজ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, সুদীপ্ত আচার্য, আসানসোল : চাঁদা, তোলাবাজি নিয়ে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বললেন, কেউ নেতা নয়, সব কালেকশন মাস্টার হয়ে গেছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এবার, চাঁদা, তোলাবাজি নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ করলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। BJP নেতা হয়ে বিজেপি কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধেই ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি বিধায়ক। 

মঞ্চ থেকে তিনি বললেন, ‘মানুষের বাঁচা মুশকিল করে দিয়েছে আমাদের দলের লোক। ওরা মাসে চারটে কোয়ার্টার দখল করত, এরা এক সপ্তাহে চারটে কোয়ার্টার দখল করছে। যেখান থেকে ইচ্ছে হচ্ছে, সেখান থেকে চাঁদা নিচ্ছে এরা। ঠিকাদারদের বিরক্ত করছে এরা। ওদের বলছে এটা করবেন, এটা করবেন না। এটার জন্য় পয়সা দিতে হবে। ওটার জন্য় পয়সা দিতে হবে … সব জানতে পারছি।…কেউ নেতা নয়, সব কালেকশন মাস্টার হয়ে গেছে। ‘                              

আসানসোলের মেয়র, পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক, জেলা সভাপতি, তৃণমূলে থাকতে এরকম একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। পাণ্ডবেশ্বর থেকে ভোটে দাঁড়ান। কিন্তু তৃণমূলের নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কাছে জিততে পারেননি। ২০২৬ – এ অবশ্য় তাঁকে হারিয়েই পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক হয়েছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বিজেপি কর্মীদের সাবধান করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত।  সন্ধে ৬টা হচ্ছে, দল বেঁধে মদ খেতে বসছে। আমরা এসেছিলাম এটা বলে যে, কারও ঘর খালি করতে দেব না। এখানে আমাদের লোকই ঘর খালি করে দিচ্ছে । কাল থেকে যদি কোনও কিছু পেয়েছি আমি, সব কমিটি ভেঙে দেব।’                             

দল সবেমাত্র ক্ষমতায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী বারবার তোলাবাজি, সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বার্তা দিচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে, দলেরই কর্মীদের একাংশের উদ্দেশে সেই বার্তা শোনা গেল পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি বিধায়কের গলায়।                        

আরও পড়ুন : জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পীকে মঞ্চেই অশালীন স্পর্শ ! তুলকালাম কাণ্ড, তুঙ্গে তরজা                     

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *