Vozinha: নতুন ক্লাবে সই করছেন বিশ্বকাপ মাতানো ভোজিনহা, মেসির পাশেই কি খেলতে দেখা যাবে তাঁকে?


নয়াদিল্লি: সদ্য সমাপ্ত ফুটবল বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের দৌড় এবং তাঁর স্মরণীয় পারফরম্যান্স, রাতারাতি ভোজিনহাকে (Vozinha) খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয়। তিনি ইনস্টাগ্রামে বিশ্বের সর্বাধিক ফলো হওয়া গোলকিপার হয়ে যান। তবে মোটামুটি বিশ্বকাপ শেষের বহু আগেই সকলে জেনে গিয়েছিলেন বিশ্বকপের পরে ভোজিনহা ফ্রি-এজেন্ট হয়ে যাবেন। তাঁর কোনও ক্লাবের সঙ্গে কোনও চুক্তি নেই। তবে সেই সমস্যা মিটল। নতুন ক্লাবে সই করছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক।

ভোজিনহার পর্তুগিজ ক্লাব চাভেজ়ের সঙ্গে ১ জুলাই চুক্তি শেষ হওয়ায় তিনি ফ্রি-এজেন্ট হয়ে গিয়েছিলেন। ৪০ বছর বয়সি গোলকিপার শোনা যাচ্ছিল তাঁকে বিশ্বকাপের আয়োজক আমেরিকাতেই আসন্ন মরশুমে নিজের ক্লাব ফুটবল খেলতে দেখা যাবে। খবর উঠে আসছিল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিতে পারেন। মায়ামির ক্লাবটি নাকি তাঁকে সই করাতে আগ্রহী।

আরও পড়ুন:- দীর্ঘ জল্পনার পর অবশেষে জার্মান ফুটবল দলের কোচ নিযুক্ত হলেন য়ুর্গেন ক্লপ

তবে না বিশ্বকাপে মেসির শট বাঁচানো গোলরক্ষককে তাঁর খেলা ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে ‘এলএম১০’-র পাশাপাশি খেলতে দেখা যাবে না। তিনি লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির বিখ্যাত ক্লাব কোলো কোলোর হয়ে সই করেছেন। কেপ ভার্দের হয়ে বিগত ১৪ বছরে ৯২টি ম্য়াচ খেলা ভোজিনহাকে দুরন্ত এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্য়মে সই করার কথা ঘোষণা করে চিলির ক্লাবটি।

 

নিঃসন্দেহেই ভোজিনহাকে সই করানোর পর এই ক্লাবের দিকে সকল ফুটবলপ্রেমীর বাড়তি নজর থাকবে, কোলো কোলো ম্যাচগুলির দিকে তাঁদের বাড়তি আগ্রহও থাকবে। সবের নেপথ্যেই কিন্তু তাঁর বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স। ভোজিনহার দুরন্ত বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সের সুবাদে ইতিমধ্যেই তাঁর নামে এক নতুন আবিষ্কৃত প্রজাতির নামকরণও করা হয়ে গিয়েছে।  

সদ্যই মোলাস্কা পর্বের এক নতুন প্রজাতির আবিষ্কার করেছেন জীববিজ্ঞানী হেসুস অর্টেয়া। ক্যারিবিয়ানে আবিষ্কৃত এই লাল রঙের শামুক জাতীয় প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহার নামে। প্রজাতিটির নাম রাখা হয়েছে আলদিসা ভোজিনহা। নিজের এই নতুন আবিষ্কার সম্পর্কে বলতে গিয়ে অর্টেয়া জানান তিনি বিশ্বকাপে ভোজিনহার চমকপ্রদ পারফরম্যান্স এবং টুর্নামেন্টকে স্মরণীয় করার রাখায় তাঁর ভূমিকাকে মাথায় রেখেই এই নামকরণ করেছেন। এই নতুন প্রজাতির লাল রঙ ভোজিনহার দুরন্ত পারফরম্যান্সকে স্মরণীয় করে রাখবে বলেই ওই জীববিজ্ঞানী মনে করেন।

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *