Modi – Sudip Meet : বিজেপির সঙ্গে আজই মিশছে NCPI? প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষেই সুদীপ বললেন …


বিজেন্দ্র সিংহ, নয়া দিল্লি : শেষ পর্যন্ত কি NCPI বিজেপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে? অর্থাৎ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন? এই জল্পনার আবহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনই আবার  দিল্লির বঙ্গভবনে NCPI সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। মনে করা হচ্ছে, আজকের বৈঠকের পরই ভবিষ্যৎ রূপরেখা অনেকটাই স্পষ্ট হতে পারে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হল সুদীপের ? সাংসদ জানালেন, ‘NCPI-এর স্বীকৃতি সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে । মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে’। সুদীপ বলেন, ‘আমি কালকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট ছিলাম রাতে। সন্ধে সাড়ে ৬টা থেকে ৭টা ১০ পর্যন্ত। তখন অনেক কথা হয়েছে। আর আজকে স্বাভাবিকভাবে আমার কাছে প্রধানমন্ত্রী সেই অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমল থেকে আছি। ১২ তম লোকসভা থেকে এটা ১৮ তম লোকসভা।’ মঙ্গলবারই NDA-এর ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একেবারে প্রথম সারিতে জায়গা পেলেন NCPI-এর লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

সব জল্পনার মধ্যেই মঙ্গলবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তৃণমূলত্যাগী বিদ্রোহী ও অধুনা এনসিপিআই সাংসদরা। এই বৈঠকে আগামী রাজনৈতিক কৌশল, দলের ভবিষ্যৎ, সাংগঠনিক অবস্থান এবং কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান। এই বৈঠকের ফলাফলের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজ্য রাজনীতির।

কুণাল ঘোষের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য   

অন্যদিকে আবার রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে কুণাল ঘোষের মন্তব্য। তাঁর দাবি, NCPI-তে যাওয়া ৬ জনেরও বেশি বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ ইতিমধ্যেই ‘কালীঘাট-তৃণমূল’-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। শুধু তাই নয়, ঋতব্রত শিবিরের ৩০-এর বেশি বিধায়কও কালীঘাটের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন বলে তাঁর দাবি। কুণাল আরও বলেন, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি কথাও বলেছেন। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের চাপের কারণে অনেকেই দল ছাড়লেও পরবর্তীতে ভোটারদের প্রতিক্রিয়া দেখে এখন পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। সেই কারণেই রাজ্যের রাজনীতিতে ‘উল্টোস্রোত’ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার NDA-র বৈঠকে NCPI-র উপস্থিতি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা — সব মিলিয়ে  NCPI-র ভবিষ্যৎ কী হবে, তারা NDA-র শরিক হিসেবেই এগোবে নাকি বিজেপির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলবে, সেই উত্তর মিলতে পারে খুব শিগগিরই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *