Nirmal Ghosh Arrested: “ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে আটকাচ্ছে কে ? “, RG Kar কাণ্ডে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারিতে বড় প্রশ্ন চিকিৎসক অনিকেত-আসফাকুল্লার


কলকাতা: অভয়াকাণ্ডে গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ।  তড়িঘড়ি প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে নিহত চিকিৎসকের দেহ সৎকারের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভয়ার বাবার দায়ের করা এফআইআর-এ নাম ছিল নির্মল ঘোষের। নির্মল ঘোষের গ্রেফতারির পর, মুখ খুললেন চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো এবং আসফাকুল্লা নাইয়া।  

আরও পড়ুন, ‘যারা পাবেন না..’,অন্নপূর্ণা যোজনা-সহ ৬ প্রকল্প নিয়ে জরুরি বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর 

এদিন চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো বলেন, এই অভিযোগ আন্দোলনের সময়, আমরা বহুবার তুলেছি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কেন নির্মল ঘোষ, একজন বিধায়ক এই ধরণের কাজ করলেন ? কার নির্দেশে এই কাজ করলেন ? আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে, একজন বিধায়ক হিসেবে যখন নির্মল ঘোষ উপস্থিত ছিলেন, ..সেখানে পুলিশের শীর্ষকর্তারা সবাই উপস্থিত ছিলেন।’ তাহলে কার অঙ্গুলিহেলনে এই ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, তা প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছেন তিনি। অনিকেতের কথায়, আমরা বারবার আন্দোলনের শুরুর দিন থেকে বলেছি, ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত।…এই সত্য উদঘাটিত হওয়া প্রয়োজন।’

অপরদিকে চিকিৎসক আসফাকুল্লা নাইয়া বলেছেন, সত্যটা জানতে কবে পারব ? একে ওকে গ্রেফতার করার আগে, ঘটনাটা কি ঘটেছিল, সেটা জানার জন্য, যারা অলরেডি গ্রেফতার হয়েছে, তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে কে আটকাচ্ছে ?…ঘটনাটা কারা ঘটিয়েছিল, কীভাবে ঘটেছিল ? সেই প্রশ্নটার উত্তর কেন এখনও পাওয়া যাচ্ছে না।’

বৃহস্পতিবার ওড়িশা থেকে গ্রেফতার করল খড়দা থানা ও ব্যারাকপুর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ।২০২৪-এর ৯ অগাস্ট, আর জি কর মেডিক্যালের ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ের সেমিনার হলে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। সরকারি হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় ধর্ষণ-খুনের মতো ভয়ঙ্কর ঘটনায়, নিহত চিকিৎসকের মৃতদেহ তাড়াহুড়ো করে দাহ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই মারাত্মক অভিযোগ তুলেছিল অভয়ার পরিবার।  

গত বছর অভয়ার মা বলেছিলেন, ‘আমাদের যে নির্মল ঘোষ, সোমনাথ দে এবং সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এঁরা দ্রুত নিয়ে গিয়ে আমার মেয়ের দেহটাকে পুড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে এবং সেদিন আমরা দেখেছিলাম আমার মেয়ের দেহটা যখন চুল্লিতে ঢুকে গেছিল, তখন আমাদের লোকাল এমএলএ যে সে আমাদের এই সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের পিঠ চাপড়ে ওয়েল ডান বয়, ওয়েল ডান বয় বলছিল।’ সিবিআই শুধুমাত্র সঞ্জয় রায়কেই অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে। পরে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্য়ু কারাদন্ডের নির্দেশ দেয় নিম্ন আদালত। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। ৩ সদস্যের SIT তৈরি করে তদন্ত শুরু করেছে CBI. 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *