BJP News: বারবার সতর্ক করছে শীর্ষ নেতৃত্ব, শমীক-দিলীপের কথায় আদৌ কোনও কাজ হবে? বন্ধ হবে তোলাবাজি?


কলকাতা: তোলাবাজি-সহ একাধিক বিষয়ে দলের কর্মীদের খোলা চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছেন শমীক ভট্টাচার্য। চিঠিতে লিখেছেন, দলের নীতির বাইরে গিয়ে কোনও ব্যক্তি যদি কোনও অনৈতিক বা দুর্নীতির কাজের সঙ্গে যুক্ত হন, দল তার দায়ভার কখনওই নেবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তায় কি আদৌ কাজ হবে? কুণাল ঘোষ বলছেন, শমীক ভট্টাচার্যের চিঠির কোনও অর্থ নেই। দিলীপ ঘোষের আবার দাবি, তোলাবাজি ক্রনিক অসুখ। সারতে সময় লাগবে।

আরও পড়ুন: নেপালে হড়পা বান, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে NDRF, জারি হাই অ্যালার্ট, জল ভারতে ঢুকলেই…

বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “সমস্ত কিছুর সমাধান করা যায়নি। আমি আমার দলের পক্ষ থেকে যদি দাঁড়িয়ে আপনাদের সামনে বলি, যে আমি সমস্ত জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি বলেছি, আমি ভুল বলছি।”

বারবার বার্তা দিচ্ছেন শমীক ভট্টাচার্য। কখনও মুখে, কখনও লিখে। টোল ফ্রি নম্বর খোলা হচ্ছে। প্রশাসন কড়া ব্য়বস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছে। কিন্তু তারপরও কি ক্ষমতায় আসার কার্যত শুরু থেকে বিজেপি নেতাদের একাংশের তোলাবাজি বন্ধ হচ্ছে না? ওপরতলার বার্তায় কি নিচুতলা কান দিচ্ছে না?

আর সেই কারণেই কি টাকা ফেরত দেওয়ার ছবি দেখা যাচ্ছে? কালীঘাট তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এমনই একটা ভিডিও পোস্ট করেছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া খোলা চিঠিতে রাজ্য় সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য লিখেছেন, “দলের নীতির বাইরে গিয়ে কোনও ব্যক্তি যদি কোনও অনৈতিক বা দুর্নীতির কাজের সঙ্গে যুক্ত হন, দল তার দায়ভার কখনওই নেবে না। বুথ থেকে রাজ্য স্তর পর্যন্ত যে কোনও সদস্যের ক্ষেত্রে একথা প্রযোজ্য।”

এরপর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, দুর্নীতি বা অপকর্মের সামান্যতম প্রমাণ মিললে, পদ বা অবস্থান নির্বিশেষে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

‘কালীঘাট-তৃণমূল’-এর বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “শমীক ভট্টাচার্যর এই কথাগুলো অর্থহীন। চিঠিগুলো তো অর্থহীন। সুকান্ত মজুমদার যাঁকে বললেন তোলাবাজ, স্মাগলার প্রকাশ চিক বরাইক, তাঁকেই তো শমীকবাবু এখানকার আমাদের থেকে রিজাইন করিয়ে তাঁকে রাজ্যসভার সদস্য করেছেন। বড় নেতা, যাঁদের বিরুদ্ধে একসময় বিজেপি নেতারাই বড় বড় কথা বলতেন, তাঁরাই তো আপনাদের কোলে দোল খাচ্ছে।”

পঞ্চায়েতমন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ আবার বলেন, “তোলাবাজি অনেক পুরনো অসুখ এখানকার। ক্রনিক অসুখ। সারতে সময় লাগবে। সেই জন্য বিভিন্ন রকমের ট্রিটমেন্ট হচ্ছে। লেগে আছেন, যারা লাগার। তাঁরা চেষ্টা করছেন। যারা তোলাবাজি করে তারাও অ্য়াকটিভ আছে। তো সেটাকে কী করে কন্ট্রোল করা যায় তার বিভিন্ন রাস্তা বের করা হচ্ছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *