Sumit Roy: তদন্তে অসহযোগিতা করে কাকে আড়াল করতে চাইছেন সুমিত রায়? কোর্ট লক আপে অভিষেকের আপ্ত সহায়ক


কলকাতা: কলকাতা থেকে মেদিনীপুর আদালতে নিয়ে যাওয়া হল সুমিত রায়কে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ককে আপাতত রাখা হয়েছে কোর্ট লক আপে। দুপুরে সুমিত রায়কে পেশ করা হবে মেদিনীপুর আদালতে। আদালতে পেশ করে ১৪ দিন হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে CID।

মেদিনীপুর আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা, পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনীতে ছয়লাপ এলাকা। সকালে ভবানীভবন থেকে বার করা হয় সুমিত রায়কে। SSKM-এ স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর অভিষেকের আপ্ত সহায়ককে নিয়ে রওনা দেয় CID। শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় অধরা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হেফাজতে চাইবে। ‘জমি দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার তথ্য মিলছে, সেই টাকা এসেছে কোথা থেকে?’ এই বিপুল পরিমাণ টাকা গেছে কোথায়? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে CID। এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করছেন সুমিত রায়, দাবি CID-র। তদন্তে অসহযোগিতা করে কাকে আড়াল করতে চাইছেন সুমিত রায়? উঠছে প্রশ্ন। 

শালবনির জমি দুর্নীতিতে যে কোটি কোটি টাকার তথ্য মিলছে, সেই টাকা এসেছে কোথা থেকে? এবং এই বিপুল পরিমাণ টাকা গেছে কোথায়? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে CID জমি দুর্নীতিতে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করছেন সুমিত রায়, দাবি CID-র। গতকাল অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বাড়ি থেকেই শালবনি জমি কেলঙ্কারি মামলায় সুমিত রায়কে গ্রেফতার করে CID। শালবনিতে বিশাল সরকারি জমির চরিত্র বদলে, প্লট করে, লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।

তিন মাস আগে এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল, মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক এবং মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি সুজয় হাজরাকে। পুলিশ সূত্রে দাবি, তাঁকে জেরা করে উঠে আসে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের নাম। বিভিন্ন তথ্য় থেকে জানা যায়, সুজয় হাজরা ও সুমিত রায়ের মধ্য়ে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে। ৫ জুন শালবনি থানায় অভিযোগ জানান, পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা শেখ ইমরান নামে এক ব্য়ক্তি।

অভিযোগপত্রে তিনি লেখেন, ২০২১ সালে জমি বিক্রির নাম করে তাঁর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেন তৃণমূলের তৎকালীন সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা। বারবার বলা সত্ত্বেও কোনও এগ্রিমেন্ট বা চুক্তিপত্র করা হয়নি। জমির কোনও কাগজপত্রও হাতে পাননি তিনি। টাকা ফেরত চাইলে সেটাও দেওয়া হয়নি। একাধিকবার এনিয়ে কথা বলতে গেলে, ফিরিয়ে দেওয়া হয়। খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, জমিগুলো সম্পূর্ণ সরকারি জমি। জাল দলিল বানিয়ে, জমির রেকর্ড পরিবর্তন করে, তার কাছে বিক্রি করা হয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *