হায়দরাবাদ: আসন্ন ২০২৬-২৭ মরশুমের রঞ্জি ট্রফির(Ranji Trophy 2026-27) জন্য হায়দরাবাদ(Hyderabad Cricket Association) দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলেন মহম্মদ সিরাজ(Mohammed Siraj)। তারকা পেসার জাতীয় দলের জার্সিতে নিয়মিত খেলেন। এবার রাজ্য দলের জার্সিত গুরুদায়িত্ব পেলেন সিরাজ। তাঁর সহ অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাঁ-হাতি পেসার চামা মিলিন্দ। সিরাজ যখনই জাতীয় দলের জার্সিতে খেলবেন রঞ্জি ট্রফির মাঝে, তখন মিলিন্দই দায়িত্ব সামলাবেন। নতুন মরশুমের জন্য হায়দরাবাদ দলের মেন্টর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে ওয়াসিম জাফরকে।
আগামী ১১ অক্টোবর ত্রিপুরার বিরুদ্ধে নিজেদের প্রথম রঞ্জি ম্য়াচে খেলতে নামবে হায়দরাবাদ। সেই ম্য়াচেই নেতৃত্বভার দিতে দেখা যাবে হয়ত সিরাজকে। হায়দরাবাদকে এলিট গ্রুপ বি তে রাখা হয়েছে। এই গ্রুপের অন্য়ান্য দলগুলো হল সৌরাষ্ট্র, কর্ণাটক, পাঞ্জাব, অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও অসম। কিছুদিন আগেই দলীপ ট্রফির ফাইনাল খেলেছিল সাউথ জোন। এই জোনের পেস আক্রমণকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সিরাজ। দলীপ ট্রফিতে নিজের পারফরম্যান্সের পর হায়দরাবাদ দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব মেলা সিরাজের জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটে এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ এনে দিল।
সাম্প্রতিক শ্রীলঙ্কা সফরে সিরাজের অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় ১৪০-১৪৫ কিলােমিটার গতিতে বল করা সিরাজের লঙ্কা সফরে গতি একেবারেই কমে গিয়েছিল। প্রায় ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে বল করছিলেন তিনি। ২ ম্যাচের এই সিরিজে তিনি মোট ৪৪ ওভার বোলিং করে ৪টি উইকেট শিকার করেন। দলীপ ট্রফির ফাইনাল শেষে সিরাজ বলেছিলেন, প্রায় ২ মাসের বিরতি ছিল মাঝে। এরপর আমি সরাসরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলতে নেমেছিলাম মাটে। যার ফলে আমার বোলিংয়ের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে গিয়েছিল। রান আপে ছন্দ খুঁজছিলাম। সেখানে একটু সমস্যা হচ্ছিল। সেই ছন্দ কেটে গেলে আমার গতিতেও তার ফারাক বোঝা যায়।’
দলীপ ট্রফির ফাইনালে সাউথ জোনের হয়ে পূর্বাঞ্চলের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন সিরাজ। তিলক বর্মার নেতৃত্বে পেস আক্রমণের প্রধান ভার সামলেছিলেন। প্রথম ইনিংসে কিছুটা ছন্দ ফিরে পেতে সমস্যা হয়। তিনি ২৫ ওভারে ১৪০ রান খরচ করলেও কোনও উইকেট পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১ উইকেট নেন।
