সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: গোলপার্কে মিষ্টির দোকান গাঙ্গুরাম সুইটস্-এ অভিযান চালাল খাদ্য সুরক্ষা বিভাগ। গাঙ্গুরামের মিষ্টি তৈরির কারখানাও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, কারখানার লাইসেন্সও নেই, জানিয়েছেন খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা। নিমকির সিল করা প্যাকেটে মিলল পাখির পালক।
মজুত করে রাখা চিকেন তন্দুরিতে ছেয়ে গিয়েছে ছত্রাক। কার্যত পচে গিয়েছে ফিরনি ও সস। নিমকির সিল করা প্যাকেটে দেখা যাচ্ছে পাখির পালক। বৃহস্পতিবার খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানে গোলপার্কের একাধিক নামী মিষ্টির দোকান ও রেস্তোরাঁয় উঠে এল এই ভয় ধরানো ছবি। ফেলে দেওয়া হল প্রচুর খাবার। সংগ্রহ করা হল নমুনা। বিরিয়ানি। নাম শুনলেই জিভে জল। তা যদি হয় কোনও নামী দোকানের, তাহলেও তো একদম জিভে-জলে হাবুডুবু। কিন্তু নামী সংস্থার বিরিয়ানির দোকানেই মিলল তারিখ না থাকা ফিরনি ও সস। চিকেন তন্দুরিতে ধরেছে ছত্রাক নামী মিষ্টির দোকানে নিমকির সিল করা প্যাকেটে মিলল পাখির পালক। গাঙ্গুরামস, আমিনিয়া, কষে কষা, মোমো আই অ্যাম, নবাবজাদে, বৃহস্পতিবার গোলপার্কের একাধিক মিষ্টি ও খাবারের দোকানে অভিযান চালান খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।
‘গাঙ্গুরামস’-এর মিষ্টি তৈরির কারখানা গিয়ে দেখা যায়, পুরো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। চারপাশে মাকড়সার জাল।প্যাকেটবন্দি মশলায় নেই কোনও লেবেল। সেই সব মশলা ফেলে দেওয়ার পাশাপাশি, খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মিষ্টি তৈরির কারখানার কোনও লাইসেন্স নেই গাঙ্গুরামস-এর। গোলপার্ক গাঙ্গুরামসের এক কর্মী বলেন, আমাদের লাইসেন্স নেই আমার জানা ছিল না। খোলা প্যাকেটগুলি ফেলে দেওয়া হয়েছে। কারখানার পর ‘গাঙ্গুরামস’-এর দোকানে যান তদন্তকারীরা। দেখা যায়, সিল করা নিমকির প্যাকেটের মধ্যে রয়েছে পাখির পালক।
‘গাঙ্গুরামস’-এর পর ‘আমিনিয়া’।খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা ঘুরে দেখেন রান্না ঘর। তারিখ লেখা না থাকায় ফেলে দেওয়া হয় ফ্রিজে মজুত করে রাখা ফিরনি ও সস। পরে, ‘কষে কষা’ রেস্তোরাঁ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় ফ্রিজারে রাখা তেঁতুল। ‘মোমো আই অ্যাম’-এর দোকানে মেলে খোলা থাকা মাংস, পচা মাছ।ফেলে দেওয়া হয় নুডলস ও সস।এরপর ‘করিমস’-এ যান পুরসভার আধুকারিকরা। ‘নবাবজাদে’ রেস্তোরাঁয় ছত্রাক জমে থাকায় ফেলে দেওয়া হয় মজুত রাখা চিকেন তন্দুরি। এর পরেও কয়েকটি দোকান ও রোস্তোরাঁয় য়ান খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।সংগ্রহ করেন নমুনা।
BJP Government | আরও বেশি সংখ্যক কর্মীকে EPFO-র আওতায় আনতে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার
