Healthy Eating: কী খাচ্ছেন নয়, কখন খাচ্ছেন, তা বেশি জরুরি, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের আদর্শ সময় জানালেন বিশেষজ্ঞরা


রোগা হতে প্রথমেই খাওয়াদাওয়া বদলেফেরি আমরা। খাবারের পরিমাণ তো কমেই, বদলে যায় মেনুও। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, কী খাচ্ছেন, কতটা খাচ্ছেন তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, কখন খাচ্ছেন, তাও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মতে ব্রেকফাস্ট হোক বা লাঞ্চ, অথবা ডিনার, খাবার খাওয়ার সঠিক সময় জানা দরকার।

রোগা হতে প্রথমেই খাওয়াদাওয়া বদলেফেরি আমরা। খাবারের পরিমাণ তো কমেই, বদলে যায় মেনুও। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, কী খাচ্ছেন, কতটা খাচ্ছেন তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, কখন খাচ্ছেন, তাও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মতে ব্রেকফাস্ট হোক বা লাঞ্চ, অথবা ডিনার, খাবার খাওয়ার সঠিক সময় জানা দরকার।

ইতিমধ্যেই একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বেলা থাকতে থাকতে বেশি ক্যালরি যুক্ত খাবার খেয়ে নেওয়া উচিত। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, পেটও ভরা থাকে অনেক ক্ষণ।

ইতিমধ্যেই একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বেলা থাকতে থাকতে বেশি ক্যালরি যুক্ত খাবার খেয়ে নেওয়া উচিত। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, পেটও ভরা থাকে অনেক ক্ষণ।

গত বছর স্লোভেনিয়ার বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে খাওয়াদাওয়ার পালা মিটিয়ে ফেলতে পারলে, তিন মাসে ৪.৫ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফেলা সম্ভব। রক্তচাপের ভারসাম্যও বজায় থাকে তাতে।

গত বছর স্লোভেনিয়ার বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে খাওয়াদাওয়ার পালা মিটিয়ে ফেলতে পারলে, তিন মাসে ৪.৫ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফেলা সম্ভব। রক্তচাপের ভারসাম্যও বজায় থাকে তাতে।

এ নিয়ে ‘ডেইলি মেইলে’ মুখ খুলেছেন ডায়েটিশিয়ান সোফি মেডলিন। তিনি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ওজন ঝরানোর জন্য নয়, সুস্থ থাকতেও খাবার খাওয়ার সময়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

এ নিয়ে ‘ডেইলি মেইলে’ মুখ খুলেছেন ডায়েটিশিয়ান সোফি মেডলিন। তিনি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ওজন ঝরানোর জন্য নয়, সুস্থ থাকতেও খাবার খাওয়ার সময়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

সোফি জানিয়েছেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠার এক থেকে দু’ঘণ্টার মধ্যে ব্রেকফাস্ট সেরে ফেলা উচিত। এর ঠিক চার-পাঁচ ঘণ্টা পর লাঞ্চ সেরে নিতে পারলে ভাল। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে ডিনার সারার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

সোফি জানিয়েছেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠার এক থেকে দু’ঘণ্টার মধ্যে ব্রেকফাস্ট সেরে ফেলা উচিত। এর ঠিক চার-পাঁচ ঘণ্টা পর লাঞ্চ সেরে নিতে পারলে ভাল। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে ডিনার সারার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

২০২২ সালে ১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক, স্থূলকায় ব্যক্তিকে নিয়ে একটি গবেষণা চালায়  হার্ভার্ড। একটানা দু’সপ্তাহ তাড়াতাড়ি খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, অন্য দুই সপ্তাহ আবার দেরিতে। দুই ক্ষেত্রে ক্যালরির মাত্রা রাখা হয়েছিল একই।

২০২২ সালে ১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক, স্থূলকায় ব্যক্তিকে নিয়ে একটি গবেষণা চালায় হার্ভার্ড। একটানা দু’সপ্তাহ তাড়াতাড়ি খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, অন্য দুই সপ্তাহ আবার দেরিতে। দুই ক্ষেত্রে ক্যালরির মাত্রা রাখা হয়েছিল একই।

ওই গবেষণা চলাকালীন, তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠেন যাঁরা, তাঁরা এক ঘণ্টা অর্থাৎ সকাল ৮টার মধ্য়ে ব্রেকফাস্ট সেরে নিতেন। দেরিতে ঘুম থেকে ওঠেন যাঁরা, তাঁরা ব্রেকফাস্ট করতেন পাঁচ ঘণ্টা পর। কারও কারও দুপুর ১২টা হয়ে যেত।

ওই গবেষণা চলাকালীন, তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠেন যাঁরা, তাঁরা এক ঘণ্টা অর্থাৎ সকাল ৮টার মধ্য়ে ব্রেকফাস্ট সেরে নিতেন। দেরিতে ঘুম থেকে ওঠেন যাঁরা, তাঁরা ব্রেকফাস্ট করতেন পাঁচ ঘণ্টা পর। কারও কারও দুপুর ১২টা হয়ে যেত।

যাঁরা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠেন, তাঁদের বিকেল ৪.৩০টের মধ্যে ডিনার খেয়ে নিতে হতো। দেরিতে যাঁরা ওঠেন, তাঁদের ডিনার খেতে হতো রাত ৮.৩০টা নাগাদ। গবেষণায় দেখা যায়, যাঁরা দেরিতে খাচ্ছিলেন, তাঁদের রক্তে ক্ষুধা-হরমোনের মাত্রা ছিল অনেক বেশি। পেট ভরা বা পরিতৃপ্তিজনিত নিঃসৃত উপাদান ছিল কম।

যাঁরা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠেন, তাঁদের বিকেল ৪.৩০টের মধ্যে ডিনার খেয়ে নিতে হতো। দেরিতে যাঁরা ওঠেন, তাঁদের ডিনার খেতে হতো রাত ৮.৩০টা নাগাদ। গবেষণায় দেখা যায়, যাঁরা দেরিতে খাচ্ছিলেন, তাঁদের রক্তে ক্ষুধা-হরমোনের মাত্রা ছিল অনেক বেশি। পেট ভরা বা পরিতৃপ্তিজনিত নিঃসৃত উপাদান ছিল কম।

সেই সময় বিজ্ঞানীরা জানান, দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস পরিপাকতন্ত্রে এমন রদবদল ঘটায়, যার দ্বারা ক্ষুধার সঙ্কেত বৃদ্ধি পায়। ঝুঁকি তৈরি হয় ওজন বাড়ার।    গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, দেরিতে খাওয়ার ফলে পরিপাকতন্ত্রে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটতে পারে যা ক্ষুধার সংকেত বাড়িয়ে দেয় এবং এর ফলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

সেই সময় বিজ্ঞানীরা জানান, দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস পরিপাকতন্ত্রে এমন রদবদল ঘটায়, যার দ্বারা ক্ষুধার সঙ্কেত বৃদ্ধি পায়। ঝুঁকি তৈরি হয় ওজন বাড়ার। গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, দেরিতে খাওয়ার ফলে পরিপাকতন্ত্রে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটতে পারে যা ক্ষুধার সংকেত বাড়িয়ে দেয় এবং এর ফলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

ব্রেকফাস্ট দেরিতে সারা বা ব্রেকফাস্ট না করার অভ্যাসও মোটে ভাল নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সোফির মতে, ব্রেকফাস্ট না করলে বা সারাদিন অল্প অল্প করে খেলে, রাতের দিকে একসঙ্গে অনেকটা খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রিফ্লাক্স, ব্লোটিং এবং অনিদ্রার সমস্যাও বাড়ে এতে।

ব্রেকফাস্ট দেরিতে সারা বা ব্রেকফাস্ট না করার অভ্যাসও মোটে ভাল নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সোফির মতে, ব্রেকফাস্ট না করলে বা সারাদিন অল্প অল্প করে খেলে, রাতের দিকে একসঙ্গে অনেকটা খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রিফ্লাক্স, ব্লোটিং এবং অনিদ্রার সমস্যাও বাড়ে এতে।

সোফি জানিয়েছেন, রাতের দিকে শরীর খাবারকে ভাল ভাবে এনার্জিতে রূপান্তরিত করতে পারে না। ফলে অতিরিক্ত ক্যালরি ফ্যাট হিসেবে জমতে শুরু করে শরীরে।

সোফি জানিয়েছেন, রাতের দিকে শরীর খাবারকে ভাল ভাবে এনার্জিতে রূপান্তরিত করতে পারে না। ফলে অতিরিক্ত ক্যালরি ফ্যাট হিসেবে জমতে শুরু করে শরীরে।

Published at : 17 Sep 2026 07:33 PM (IST)

আরও জানুন স্বাস্থ্য



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *