কলকাতা: তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন, হয়ে গেল বেশ অনেকগুলো বছর। কিন্তু এরপরেও, চর্চায় তাঁর চেন্নাইয়ের বিলাসবহুল সম্পত্তি? সূত্রের খবর, প্রায় ৩ দশক আগে কেনা, ২.৭ একর জমি নিয়েই সমস্যার সূত্রপাত। এই সম্পত্তি দীর্ঘদিন আগে কেনা হলেও, বর্তমানে এই সম্পত্তির মালিকানা চেয়ে, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন, এক মহিলা এবং তাঁর ভাই। সুপ্রিম কোর্ট এই মামলা গ্রহণ করেছে এবং বর্তমানে এই মামলার শুনানি চলছে। আর এবার, আগামী শুনানি পর্যন্ত ওই বিতর্কিত সম্পত্তির বর্তমান স্থিতি বা ‘স্ট্যাটাস কো’বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, প্রয়াত অভিনেত্রীর স্বামী, বনি কপূর (Bonny Kapoor) এবং শ্রীদেবী ও বনির ২ কন্যা, জাহ্নবী কপূর (Janhvi Kapoor) এবং খুশি কপূরকে (Khushi Kapoor)-কে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এছাড়াও ওই জমির সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সমস্ত পক্ষকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।
কেন শ্রীদেবীর কেনা জমি নিয়ে বর্তমানে তৈরি হল আইনি জটিলতা?
কিন্তু কেন এই বিতর্ক? জানা যাচ্ছে, চেন্নাইয়ের ইস্ট কোস্ট রোডে অবস্থিত এই জমিটি ১৯৮৮ সালে কিনেছিলেন শ্রীদেবী। সেই সময়ে, এমসি চন্দ্রশেখরন নামে এক ব্যক্তি শ্রীদেবীকে ওই জমিটি বিক্রয় করেছিলেন। কিন্তু এরপরে, এমসি শিবকামী ও তাঁর ভাই মামলা দায়ের করেছেন এই জমি বিক্রয় নিয়ে। তাঁদের আবেদন যে, এই জমির আইনি উত্তরাধিকারী তাঁরাই, সুতরাং ওই জমিতে তাঁরা নিজেদের অংশের ভাগ বুঝে নিতে চান। প্রথমে এই মামলাটি নিম্ন আদালতে দায়ের করা হয়েছিল। এরপরে এই মামলার যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে এবং এই মামলা চালানো উচিত, এমনটাই পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল নিম্ন আদালত। তবে এরপরে, মাদ্রাজ হাইকোর্ট, বনি কপূরের পরিবারের পক্ষে রায় দিয়ে, এই মামলাটি খারিজ করে দেয়। এরপরেই, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই মামলাকারীরা।
এই মামলায় আবেদনকারীর আইনজীবী দাবি করেছেন, ট্রায়াল কোর্টে আবেদনের প্রাথমিক সত্যতা বিচার করা হলেও মাদ্রাজ হাইকোর্ট সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নথিপত্র খতিয়ে দেখে একরকম ‘মিনি ট্রায়াল’ শুরু করে দিয়েছিল। প্রথম স্ত্রীর বিয়ের বৈধতা এবং আইনি উত্তরাধিকারের প্রশ্ন তুলে হাইকোর্ট বিস্তারিত না দেখেই মামলাটি খারিজ করে দেয়। এই কাজ নিয়মবিরুদ্ধ।
আরও পড়ুন: Mirzapur: The Movie: সম্মান জানাতে তৈরি গান, অথচ দৃশ্যায়নে হিংসা! নয়া বিতর্কে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’
Jeetu Kamal: নতুন সরকারের থেকে প্রত্যাশা কমেছে, বিতর্ক আমার ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে, কাজে নয়: জিতু কমল
