UPI Transaction Rule: UPI লেনদেনে ফি, বাড়তি ১৫০০০-২০৬০০ কোটি টাকা আয়ের সুযোগ, লাভবান হবে কারা?


নয়াদিল্লি: UPI লেনদেনে মাশুল বসানো নিয়ে বিতর্ক চরমে। কেন্দ্র যদিও এখনও পর্যন্ত নিজের সিদ্ধান্তেই অনড়। কিন্তু হঠাৎ করে UPI লেনদেনে মাশুল বসানো হল কেন? সেই নিয়ে এবার নয়া তত্ত্ব সামনে আসছে। জানা যাচ্ছে, UPI মাশুল বাবদ বার্ষিক ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আয় হতে পারে ডিজিটাল পেমেন্ট এবং ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের। (UPI Transaction Fee)

২০০০ টাকার বেশি ব্যবসায়িক UPI লেনদেনে ০.৪ শতাংশ হারে MDR বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সেই নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। হঠাৎ করে কেন UPI লেনদেনে মাশুল বসানো হল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে কাটাছেঁড়া। আমেরিকার তরফে চাপসৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের।। (UPI Transaction Rule)

আরও পড়ুন: ভারত সফরে স্ট্রোক সি জিনপিংয়ের? তড়িঘড়ি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বেজিং? দাবি চিনা রাজনীতিকের, কমিউনিটি নোট বসাল X

কিন্তু বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশ এ নিয়ে অন্য তত্ত্ব তুলে ধরছেন। তাঁদের মতে, ২০০০ টাকা বা তার বেশি লেনদেনে ০.৪ শতাংশ MDR বসছে। আবার ৭৫০০০ টাকার বেশি লেনদেনে ফি-র উর্ধ্বসীমা ৩০০ টাকা। ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত প্রাপ্ত হিসেবকে সামনে রেখে Goldman Sachs জানিয়েছে, UPI-এর মাধ্যমে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্য়ে যে লেনদেন হয়, তার অর্ধেকই এমন যেগুলিতে ওই ফি কার্যকর হবে। সব মিলিয়ে তাতে প্রায় ৫৩৯ বিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় তাতে, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৫১.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা।

ওই বড় অঙ্কের লেনদেনে ফি বসার ফলে পেমেন্ট অ্যাপ, গেটওয়ে (পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা) এবং ব্যাঙ্কগুলির মোটা টাকা বাড়তি আয় হবে। বছরে প্রায় ২০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আয় হবে বলে মনে করছে Goldman Sachs. Citi  বলছে, আয় হবে ১৬০০০-১৭০০০ কোটি টাকা। আবার Jefferies বলছে, আয়ের পরিমাণ ঘোরাফেরা করবে ১৫০০০-১৮০০০ কোটিতে। অর্থাৎ ব্যাঙ্ক, ডিজিটাল পেমেন্ট পরিষেবা প্রদানকারী এবং পেমেন্ট কোম্পানিগুলির বাড়তি আয়ের রাস্তা খুলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদির কত টাকা, গয়না রয়েছে? প্রধানমন্ত্রীর সম্পত্তির খতিয়ান এল

ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম পরিচালনা খাতের খরচকে সামনে রেখে বেশ কিছু দিন ধকেই MDR চালুর দাবি করে আসছিল বিভিন্ন ব্য়াঙ্ক এবং পেমেন্ট সংস্থা। UPI-তে MDR চালু হতে চলেছে বলে ২০২৫ সালের জুন মাসে যখন প্রথম খবর সামনে আসে, সেই সময় কেন্দ্রের তরফে বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া হয়। ‘মিথ্যে’, ‘ভিত্তিহীন’, ‘বিভ্রান্তিকর’ খবর ছড়ানো হচ্ছে বলে সেই সময় দাবি করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। UPI লেনদেনকে ফ্রি রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয় সেই সময়। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই খবর সত্য প্রমাণিত হল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *