Alipurduar: প্রেমে প্রত্যাখান, রাগে প্রেমিকার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিল যুবক, ঝলসে গেলেন প্রেমিকার বাবা


আলিপুরদুয়ার: প্রেমে প্রত্যাখান। আর সেই রাগে প্রেমিকার বাড়িতেই আগুন লাগিয়ে দিল এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ারে। এই ঘটনায় ঝলসে গেলেন প্রেমিকার বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে রাতে। পুলিশ ও দমকল এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে আচমকাই প্রেমিকার বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল অভিযুক্ত যুবক। সে আগুন লাগিয়ে দেয় বাড়িতে। সাধারণত বাড়িঘর বা সম্পত্তিতে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন ধরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে গন্য় করা হয়। এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হতে পারে ও তাঁকে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। গতকাল সেই যুবকও ঠিক সেই কাণ্ডই ঘটিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে যে আলিপুরদুয়ার শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুকান্তপল্লি এলাকায় প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার রাগে সেই যুবক তার প্রেমিকার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। যাতে ঝলসে গিয়েছেন প্রেমিকার বাবা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, যে অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে সেই যুবতীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি প্রেমের সম্পর্কটি ভেঙে যায়। এরপরই রাগে ফেটে পড়ে অভিযুক্ত। সন্ধের পর প্রেমিকার বাড়িতে ঢুকে তাঁর বাবাকে মদ খাইয়ে বেঁহুশ করে দিয়েছিল। এরপরই বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় সে। বয়স্ক বৃদ্ধকে দ্রুত অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর অবস্থা আশঙ্কজনক। জানা গিয়েছে আগুন লাগিয়ে পালাতে যাচ্ছিলেন সেই যুবক। কিন্তু স্থানীয়রা মিলে ধরে ফেলেন অভিযুক্তকে।

গত বছর একটি অদ্ভুত কাণ্ড ঘটেছিল। এক প্রেমিক ব্রেক আপের পর প্রতিশোধ নিতে নিজের প্রেমিকার অফিসে অনলাইন অর্ডার করে পাঠিয়ে দিয়েছিল। অনলাইনে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে শপিং করে প্রেমিকার অফিসে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল। সেই সমস্ত পার্সেল ছিল ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার করা বলে জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ প্রেমিকাকেই সেই টাকা দিতে হবে। এমনকী একবার , দুবার নয়, ৪ মাসের মধ্যে ৩০০ পার্সেল পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এভাবে সেই তরুণীকে দিনের পর দিন হেনস্থা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ দায়ের হয়েছে লেকটাউন থানায়।কয়েকদিন আগেই লেকটাউন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়, এক তরুণী অভিযোগ করেন অনলাইনে শপিং করিয়ে কোনো এক ব্যক্তি তার অফিসে দিনের পর দিন অনলাইন শপিংয়ের অর্ডার পাঠিয়ে যাচ্ছেন ও সেই টাকা ক্যাশ অন ডেলিভারির কারণে তরুণীকেই দিতে হচ্ছিল। প্রথমে তরুণীর সন্দেহ হয় তাঁর প্রাক্তন প্রেমিককে। তাঁকে তিনি জিজ্ঞাসা করেন যে এরকম ঘটনা তিনিই ঘটাচ্ছেন কিনা, উত্তরে সেই প্রেমিক এই ঘটনা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে যান। এরপরেও দিনের পর দিন একই রকম ভাবে অনলাইনে অর্ডার করে তরুণীর অফিসের ঠিকানায় অর্ডারের জিনিস পাঠিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছিল। শেষমেষ লেকটাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সেই তরুণী। পরে জানা যায় পুরো ঘটনার পেছনে দায়ী প্রেমিকই। 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *