জম্মু ও কাশ্মীর : জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে বরাবরই অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। সম্প্রতি বড় সাফল্য পেয়েছে তারা। খতম হয়েছে কস্কর-ই-তৈবার কম্যান্ডার ফৌজি মুসা। বুদগামে একটি অভিযানের সময় এনকাউন্টারে খতম হয়েছে এই কুখ্যাত জঙ্গি। জানা গিয়েছে, চার সদস্যের একটি মডিউল ছিল লস্করের। এই দলের শেষ জীবিত সদস্য ছিল ফৌজি মুসা। এবার তাকেও নিকেশ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ২০২৩ সাল থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে যেসব জঙ্গি হামলা হয়েছে, যেমন – ডেরা কি গলি, থানামান্ডি, গগনগীর এবং দুধ পাথারি এলাকায় যেসব হামলা হয়েছে, সেই সবের পিছনে ছিল লস্করের ওই চার সদস্যের মডিউল, যার সক্রিয় সদস্য ছিল নিহত জঙ্গি ফৌজি মুসা। পীরপাঞ্জালের পার্বত্য এলাকায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করছিল গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের পর্যবেক্ষণ, নিরীক্ষণ শেষ পর্যন্ত সাফল্য এনেছে। লস্করের ‘টপ কম্যান্ডার’ খতম হয়েছে। আর তার সঙ্গে সঙ্গেই ওই এলাকায় লস্কর-ই-তৈবার সংগঠন ভেঙে দিতেও সক্ষম হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
ভিড়ের সুযোগে দোকানেই মহিলা ক্রেতার সঙ্গে অভব্য আচরণের অভিযোগ, ‘উচিত শিক্ষা’ দিলেন আক্রান্ত
নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, মুসা মূলত তার অভিযান চালাত রাজৌরি, পুঞ্চ, সুরানকোট, সোপিয়ান এবং বুদগাম এলাকায়। আর এক্ষেত্রে সে ভরসা করত স্থানীয়দের উপর। পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসার পর স্থানীয়দের একাংশ তাকে সাহায্য করেছিল, খবর নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে। কেল্লার এলাকার শাহিদ কুটে নামের এক ব্যক্তি এই পাকিস্তানি কম্যান্ডারকে সাহায্য করেছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মুসা- কে থাকার জায়গা করে দিয়েছিল এই ব্যক্তি, এমনটাই জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি কাশ্মীর উপত্যকায় পীর পাঞ্জাল এলাকার কঠিন ভূখণ্ডে কীভাবে এগোবে ফৌজি মুসা, কীভাবে চালাবে অভিযান, সেই ব্যাপারেও সাহায্য করেছিল ওই শাহিদ কুটে নামের ওই ব্যক্তি। অন্যান্য আরও অনেকের সঙ্গে মুসার যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিল সে। অস্ত্রশস্ত্রের ভাণ্ডারের জোগানও দিয়েছিল এই শাহিদ নামের ব্যক্তিই। আর কোনও এলাকায় জঙ্গিমূলক কাজ, সন্ত্রাস অভিযান চালাতে গেলে যে স্থানীয়দের সাহায্য যে কাজে লাগে তা স্পষ্ট। এক্ষেত্রেও তাই-ই হয়েছিল।
ভারতীয় সেনার হাতে খতম হয়েছে পাকিস্তানি জঙ্গি মহম্মদ আসিফ ওরফে হাসিম মুসা। জম্মু ও কাশ্মীরের বুদগামে একটি এনকাউন্টারে শেষ হয়েছে এই কুখ্যাত লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি। সূত্রের খবর, এই মহম্মদ আসিফ নাকি একসময় যুক্ত ছিল পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে। হাবিলদারে পদে পোস্টিং ছিল তার। পাকিস্তানি সেনার স্পেশ্যাল সার্ভিস গ্রুপের একজন অপসরপ্রাপ্ত কম্যান্ডো ছিল এই মহম্মদ আসিফ। ২০২৩ সালে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর স্পেশ্যাল সার্ভিস গ্রুপ থেকে অবসর নেয় মহম্মদ আসিফ। এরপর জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবাতে যোগ দেয় সে, এমনটাই জানা গিয়েছে।
School Syllabus : রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর এবার বদল আসছে মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে | ABP Ananda
