Shai Hope: মাহি মন্ত্রেই মহাকাব্যিক ইনিংস, সেঞ্চুরি হাঁকানাের পর ধোনিকেই কৃতিত্ব দিচ্ছেন শাই হোপ


নিউ চণ্ডিগড়: সিরিজ আগেই খুইয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম দুটো ম্য়াচে হেরে সিরিজ হারতে হয়েছিল। কিন্তু শেষ ম্য়াচ জিতে অন্তত লজ্জা কিছুটা এড়াল ক্যারিবিয়ান শিবির। ভারতীয় ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে নিউ চণ্ডিগড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের নায়ক শাই হোপ। ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক ১৬২ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছিলেন। আর ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়ার পর মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকেই কৃতিত্ব দিচ্ছেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। 

হোপ জানান, বেশ কিছুদিন আগে ধোনির সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ধোনি তাঁকে বলেছিলেন, ক্রিকেটে রান তাড়ানোর সময় বা বড় ইনিংস খেলার সময় একজন ব্যাটারের হাতে সবসময় তিনি যতটা চিন্তা করেন, তার চেয়েও বেশি সময় থাকে। তাই তাড়াহুড়ো না করে ক্রিজে টিকে থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ টেনে নিয়ে যাওয়াটাই আসল কৌশল।

খেলার শেষে শাই হোপ বলেন, ‘ধোনি ভাই আমাকে একবার বলেছিলেন, তুমি যা ভাবো, ক্রিজে তোমার কাছে তার চেয়ে অনেক বেশি সময় আছে। এই কথাটি আমার মাথায় গেঁথে গিয়েছিল। আজকের ম্যাচে যখন পরিস্থিতি কঠিন ছিল, তখন আমি শুধু ধোনি ভাইয়ের সেই পরামর্শটাই মনে রাখছিলাম ও শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে ম্যাচটি শেষ করে আসার চেষ্টা করেছি।’

 

ভারতের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজের শেষ ম্য়াচে ভারতীয় দল পাহাড়প্রমাণ রান করেছিল প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে। রোহিত শর্মা ৯২ রানের ইনিংস খেললেও বিরাট কোহলি ম্য়াচে ব্যর্থ হয়েছিলেন। খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়ন ফেরেন তিনি। তবে নিজের ওয়ান ডে কেরিয়ারের সর্বাধিক, অপরাজিত ১২৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন কে এল রাহুল। রোহিত অল্পের জন্য শতরান হাতছাড়া করেন। চাপের মুখে নজর কাড়েন রুতুরাজও। তিনি ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন। একটা সময়ে ১৬০ রান বোর্ডে তুলতে গিয়েই চার উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল ভারতীয় দল। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব এসে পড়ে কেএল রাহুলের কাঁধে। তিনি ধৈর্য্যের সঙ্গে খেলে দলের হাল ধরেন। দলকে তিনশোর গণ্ডি পার করিয়ে দিতে সাহায্য় করেন। যদিও শাই হোপের ইনিংসটি ক্য়ারিবিয়ানদের জয় এনে দিতে সাহায্য় করে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *