Rahul Gandhi: যন্তরমন্তর 2.0: মাটিতে শুয়ে প্রিয়ঙ্কা, চ্যাংদোলা করে বাসে তোলা হল রাহুলকে, জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে ফের উত্তাল দিল্লি


নয়াদিল্লি: বাস থেকে নেমে গতকাল আকাশবাণী ভবনে পৌঁছে গিয়েছিলেন। বুধবার ফের চমক I.N.D.I.A জোটের। মধ্যাহ্নভোজ সেরে সটান যন্তরমন্তরের কাছে পৌঁছে গেলেন তাঁরা। সেখানে মাটিতে শুয়ে পড়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা। পুলিশ তুলতে গেলে ঢাল হয়ে দাঁড়ান লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি তুমুল বচসা শুরু হয় তাঁর। একটা সময় পর ধাক্কাধাক্কিও শুরু হয়। তবে নিজেদের অবস্থানে অনড় বিরোধীরা। ধর্নাস্থলে প্রিয়ঙ্কার পাশে রয়েছেন মমতাপন্থী তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনও। রয়েছেন অন্য বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে অনড় সকলে।

গতকাল আকাশবাণী ভবনে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে ধর্না দেন রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা। রাতের দিকে সেখানে পৌঁছন I.N.D.I.A জোটের অন্যরাও। এদিন কী হবে, তা নিয়ে সকাল থেকেই জল্পনা চলছিল। সেই আবহেই দুপুরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গের আমন্ত্রণে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন I.N.D.I.A শিবিরের সাংসদরা। ঠিক কী করতে চলেছেন, তখনও পর্যন্ত আঁচ পায়নি কেউ। মধ্যাহ্নভোজ সেরেই বাসে উঠে পড়েন সকলে। রওনা দেন যন্তরমন্তরের দিকে। 

বিরোধীরা যন্তরমন্তর যাচ্ছেন খবর পেয়েই বিপুল পুলিশবাহিনী নামানো হয়। হোটেল থেকে বেরনোর পথে আটকানো হয় বাস। সেই অবস্থায় বাসের মাথায় উঠে পড়েন কংগ্রেস সাংসদ অমরিন্দর সিংহ রাজা ওয়ারিং, ইমরান প্রতাপগড়ী, ইমরান মাসুদরা। খড়গে এবং রাহুল তখনও বাসের ভিতর ছিলেন। বাস যন্তরমন্তরের দিকে একচুলও এগোতে দিচ্ছিল না পুলিশ। তাদের যুক্তি ছিল, আগে থেকে অনুমতি নেওয়া হয়নি। অন্তত পক্ষে ১০ দিন আগে সভা করার অনুমতি নিতে হতো। সেই নিয়ে বচসা, তর্কাতর্কি চলাকালীনই যন্তরমন্তরে ঢোকার রাস্তা ঘিরে ফেলা হয় ব্যারিকেড দিয়ে। বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ১৬৩ ধারা জারি করা হয় ‘লা মেরিডিয়েন’ হোটেলের বাইরের এলাকায়। ঘটনাস্থলে বাস এনে দাঁড় করানো হয়। বিরোধী শিবিরের সাংসদদের আটক করে বাসে তোলা হতে পারে আঁচ করে সেই সব বাসের টায়ার ফুটো করে দেন কংগ্রেস কর্মীরা। 

সেই পরিস্থিতিতেই বাস থেকে নেমে আসেন রাহুল-প্রিয়ঙ্কারা। ভিড় ঠেলে যন্তরমন্তরের দিকে এগোতে শুরু করেন সকলে। পুলিশের সঙ্গে বচসা বাধে প্রিয়ঙ্কার। এভাবে রাস্তা আটকানো যায় কি, প্রশ্ন তোলেন তিনি। সেই নিয়ে প্রবল ধস্তাধস্তি, ঠেলাঠেলি শুরু হলে মাটিতে শুয়ে পড়েন প্রিয়ঙ্কা। তাঁকে তুলতে গেলে পুলিশকে বাধা দেন রাহুল। বচসা, ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। রাহুল বলেন, “সাহস থাকলে আমাদের তুলে দেখান।” সেই অবস্থায় রাহুল, ডেরেকদের আটক করে পুলিশ। রীতিমতো চ্যাংদোলা করে রাহুলকে বাসে তোলা হয়। প্রিয়ঙ্কা বলেন, “নির্বাচিত সাংসদদের সঙ্গে এই ধরনের আচরণ করা হচ্ছে। ন্যায় বিচার না পাওয়া পর্যন্ত নড়ব না আমি।” বিরোধী শিবিরের সাংসদদের সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শেষে প্রিয়ঙ্কাকেও আটক করা হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *