Bank of Baroda: কেউ ১০০ কোটি, কেউ তারও বেশি ঋণ নিয়ে শোধ করেনি, বিপুল লোকসান ব্যাঙ্ক অফ বরোদার, কিন্তু ঋণখেলাপিদের নাম প্রকাশে নারাজ


এক কোটি-দু’কোটি বা কয়েকশো কোটি নয়, ৩৫  হাজার ৭১৫ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণ হিসেবের খাতা থেকে মুছে দিল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্ক, ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’।

এক কোটি-দু’কোটি বা কয়েকশো কোটি নয়, ৩৫ হাজার ৭১৫ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণ হিসেবের খাতা থেকে মুছে দিল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্ক, ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’।

২০২০-’২১ থেকে ২০২৫-’২৬—এই ছয় অর্থবর্ষে ১০০ কোটি বা তার বেশি ঋণ নিয়েও যাঁরা শোধ করেননি, তাঁদের সেই  অনাদায়ী ঋণের টাকা হিসেবের খাতা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে।

২০২০-’২১ থেকে ২০২৫-’২৬—এই ছয় অর্থবর্ষে ১০০ কোটি বা তার বেশি ঋণ নিয়েও যাঁরা শোধ করেননি, তাঁদের সেই অনাদায়ী ঋণের টাকা হিসেবের খাতা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে।

ওই সব ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে মাত্র ৯ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকাই আদায় করা সম্ভব হয়েছে, যা মোট অনাদায়ী ঋণের ২৮ শতাংশেরও কম।

ওই সব ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে মাত্র ৯ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকাই আদায় করা সম্ভব হয়েছে, যা মোট অনাদায়ী ঋণের ২৮ শতাংশেরও কম।

কিন্তু কারা ঋণ নিয়ে শোধ করেননি, কাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে, তাঁদের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছে ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’। তাদের যুক্তি, RTI আইনে ছাড়ের নিয়ম অনুযায়ী নামগুলি প্রকাশ করা যাবে না। এতে ওই সব ব্যক্তির গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে।

কিন্তু কারা ঋণ নিয়ে শোধ করেননি, কাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে, তাঁদের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছে ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’। তাদের যুক্তি, RTI আইনে ছাড়ের নিয়ম অনুযায়ী নামগুলি প্রকাশ করা যাবে না। এতে ওই সব ব্যক্তির গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে।

পুণের সমাজকর্মী বিবেক ভেলঙ্কর তথ্য জানার অধিকার আইনে অনাদায়ী ঋণ নিয়ে জবাব চেয়েছিলেন। তাতেই ৩৫  হাজার ৭১৫ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণের অঙ্ক সামনে এসেছে। তবে ঋণখেলাপিদের নাম প্রকাশে রাজি হয়নি ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’।

পুণের সমাজকর্মী বিবেক ভেলঙ্কর তথ্য জানার অধিকার আইনে অনাদায়ী ঋণ নিয়ে জবাব চেয়েছিলেন। তাতেই ৩৫ হাজার ৭১৫ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণের অঙ্ক সামনে এসেছে। তবে ঋণখেলাপিদের নাম প্রকাশে রাজি হয়নি ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’।

অনাদায়ী ঋণ অঙ্ক নিয়ে বোঝাপড়ার সময় কিছু পরিমাণ টাকা ছাড় দিয়ে লোকসান মেনে নেয় ব্যাঙ্কগুলি, যাকে ‘হেয়ারকাট’ বলা হয়। এক্ষেত্রে গত ছয় অর্থবর্ষে নিজেদের প্রাপ্য থেকে অতিরিক্ত ৭ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা ছাড় দিয়ে লোকসান মেনে নিয়েছে ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’।

অনাদায়ী ঋণ অঙ্ক নিয়ে বোঝাপড়ার সময় কিছু পরিমাণ টাকা ছাড় দিয়ে লোকসান মেনে নেয় ব্যাঙ্কগুলি, যাকে ‘হেয়ারকাট’ বলা হয়। এক্ষেত্রে গত ছয় অর্থবর্ষে নিজেদের প্রাপ্য থেকে অতিরিক্ত ৭ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা ছাড় দিয়ে লোকসান মেনে নিয়েছে ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’।

এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-’২১ থেকে ২০২১-’২২ অর্থবর্ষেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ অনাদায়ী ঋণের টাকা হিসেবের খাতা থেকে মুছে দিতে হয় ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’কে, যথাক্রমে ১১ হাজার ৯১৬ কোটি এবং ১১ হাজার ২৬১ কোটি টাকা।

এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-’২১ থেকে ২০২১-’২২ অর্থবর্ষেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ অনাদায়ী ঋণের টাকা হিসেবের খাতা থেকে মুছে দিতে হয় ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’কে, যথাক্রমে ১১ হাজার ৯১৬ কোটি এবং ১১ হাজার ২৬১ কোটি টাকা।

এর আগে একাধিক বার কেন্দ্র জানিয়েছে, হিসেবের খাতা থেকে টাকার অঙ্ক মুছে দেওয়ার অর্থ ঋণ মাফ করে দেওয়া নয়। বরং সম্পত্তি বেচে টাকা আদায়ের বিকল্প রাস্তার খোঁজ শুরু হয়। কিন্তু ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’ প্রদত্ত তথ্য বলছে ৩৫ হাজার ৭১৫ কোটির মধ্যে মাত্র ৯ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকাই উদ্ধার করতে পেরেছে তারা।

এর আগে একাধিক বার কেন্দ্র জানিয়েছে, হিসেবের খাতা থেকে টাকার অঙ্ক মুছে দেওয়ার অর্থ ঋণ মাফ করে দেওয়া নয়। বরং সম্পত্তি বেচে টাকা আদায়ের বিকল্প রাস্তার খোঁজ শুরু হয়। কিন্তু ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’ প্রদত্ত তথ্য বলছে ৩৫ হাজার ৭১৫ কোটির মধ্যে মাত্র ৯ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকাই উদ্ধার করতে পেরেছে তারা।

ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অনাদায়ী ঋণের নিষ্পত্তি করা হয়েছে কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল RTI আবেদনের মাধ্যমে। কিন্তু সেই তথ্য খোলসা করেনি ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’।

ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অনাদায়ী ঋণের নিষ্পত্তি করা হয়েছে কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল RTI আবেদনের মাধ্যমে। কিন্তু সেই তথ্য খোলসা করেনি ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’।

তবে অনাদায়ী ঋণের নিষ্পত্তি করতে তারা যে পরিমাণ অর্থ মকুব করেছে, তার একটি হিসেব পাওয়া গিয়েছে। ২০২১-’২২ সালে মকুব করা অর্থের পরিমাণ ছিল ৩১৩২ কোটি, ২০২০-’২১ সালে ২৩৩১ এবং ২০২০-’২৩ সালে ১৮৩১ কোটি টাকা। অনাদায়ী ঋণের মোট হিসেবে চাওয়া হলেও, ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’ শুধু ছ’বছরের হিসেবই প্রকাশ করেছে।

তবে অনাদায়ী ঋণের নিষ্পত্তি করতে তারা যে পরিমাণ অর্থ মকুব করেছে, তার একটি হিসেব পাওয়া গিয়েছে। ২০২১-’২২ সালে মকুব করা অর্থের পরিমাণ ছিল ৩১৩২ কোটি, ২০২০-’২১ সালে ২৩৩১ এবং ২০২০-’২৩ সালে ১৮৩১ কোটি টাকা। অনাদায়ী ঋণের মোট হিসেবে চাওয়া হলেও, ‘ব্যাঙ্ক অফ বরোদা’ শুধু ছ’বছরের হিসেবই প্রকাশ করেছে।

Published at : 22 Aug 2026 03:35 PM (IST)

আরও জানুন খুঁটিনাটি



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *