Bengaluru Horror: বাচ্চাদের ঢুকিয়ে রাখা হত ওয়াশিং মেশিনের মধ্যে, বন্ধ করা হত বাথরুমে; বেঙ্গালুরুর ডে কেয়ারে নির্যাতনের অভিযোগ


বেঙ্গালুরু: কারও বয়স ২ বছর, আবার কারও বয়স ৩ বছর। এবার বেঙ্গালুরুতে সেই শিশুদের উপর নির্যাতনের ঘটনা সামনে এল। অভিযোগ, ওই শিশুদের শাস্তি দেওয়ার নামে ফ্রন্ট-লোডিং ওয়াশিং মেশিনের ড্রামের মধ্যে বসিয়ে রাখা হতো, টয়লেটের জেট স্প্রে দিয়ে মুখে জোর করে জল স্প্রে করে দেওয়া হতো এবং কান্না থামাতে বাথরুমে আটকে রাখা হতো। বেসরকারি ডে-কেয়ার সেন্টারে শিশুদের উপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় ডে-কেয়ারের পাঁচ জন ন্যানি বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।         

আরও পড়ুন: ফোন নম্বরের বদলে WhatsApp-এ ইউজার নেম, বিস্তারিত জানতে চেয়ে মেটাকে নোটিস, ৩ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলল কেন্দ্র

জানা গিয়েছে, ওই ডে কেয়ারটি আইটি সংস্থা ক্যাপজেমিনির (Capgemini) বেঙ্গালুরুর এইচএএল (HAL) ক্যাম্পাসের ভিতরেই রয়েছে। আর সেখানে শিশুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ সংক্রান্ত কয়েকটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। এরপর একদিকে যেমন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়, তার পাশাপাশি কর্নাটক রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে।         

তদন্তকারী এক আধিকারিক বলছেন, শিশুদের কান্না থামাতে ওয়াশিং মেশিনে বসিয়ে রাখা, মুখে জোর করে জেট স্প্রে দিয়ে জল দেওয়া বা বাথরুমে আটকে রাখার মতো একাধিক অমানবিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, যে ভিডিওগুলো ভাইরাল হয়েছে, সেইগুলোও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।         

এই ঘটনা সামনে আসার পর উদ্বেগ ছড়িয়েছে যে শিশুরা ডে কেয়ারে থাকত, তাদের অভিভাবকদের মধ্যে। কর্মসূত্রে অফিসে থাকার সময় সন্তানদের নিরাপদে রাখার জন্য যাঁরা ওই ডে-কেয়ারের উপর নির্ভর করেছিলেন, তাঁদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে কর্পোরেট ক্যাম্পাসের ভিতরে পরিচালিত শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।         

ক্যাপজেমিনি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা ও সুস্থতাই সংস্থার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঘটনার তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বেঙ্গালুরুর ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা ডে-কেয়ার সেন্টারটি আপাতত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।         



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *