Calcutta High Court: “রাজ্য না পারলে আধা সেনা..”, জলাভূমি উদ্ধারে রাজ্যের ভূমিকায় বিরক্ত হাইকোর্ট, কী মন্তব্য বিচারপতি অমৃতা সিন্হার ?


 সৌভিক মজুমদার,  কলকাতা: পূর্ব কলকাতায় জলাভূমি উদ্ধারে রাজ্যের ভূমিকায় ফের বিরক্ত হাইকোর্ট। ‘রাজ্য না পারলে আধা সামরিক বাহিনীকে দিয়ে কাজ করাতে হবে। আদালতে রিপোর্ট জমা পড়ছে, কিন্তু বাস্তবে কোনও কাজ হচ্ছে না’, রাজ্যের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে মন্তব্য বিচারপতি অমৃতা সিন্হার। ‘বিক্ষোভের জন্য বিদ্যুৎ বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। কলকাতা পুরসভার কাছে সাহায্য চেয়েও পাওয়া যায়নি’, আদালতে দাবি ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির।’যে ৫০৫টি বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কথা বলা হয়েছিল সেগুলির কী হল? জেলাশাসকের কাছেও সাহায্য চেয়ে পাইনি, দাবি EKWMA-র আইনজীবীর। কেন্দ্রীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, পরিবেশ মন্ত্রককে মামলায় পার্টি করার নির্দেশ হাইকোর্টের। ১৬ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি।

আরও পড়ুন, প্রয়াত মুকুল রায়, দেখে নিন ৯ বছর আগের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার

কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে যে, এর আগেও পূর্ব কলকাতার  জলাভূমি অঞ্চলে যে অবৈধ নির্মাণ রয়েছে। সেই নির্মাণ ভাঙার জন্য একাধিক নির্দেশিকা, কলকাতা হাইকোর্ট দিয়েছিল। কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, সে বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু দেখা গিয়েছে যে, বাস্তবে গ্রাউন্ড লেভেলে কোনও কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ। কলকাতা হাইকোর্টের তরফে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বক্তব্য,  কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা পড়ছে, কিন্তু বাস্তবে যে কাজ হওয়ার কথা সেই কাজের বিন্দুমাত্র হচ্ছে না।’ কিন্তু আদালতে ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির দাবি ‘বিক্ষোভের জন্য বিদ্যুৎ বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। কলকাতা পুরসভার কাছে সাহায্য চেয়েও পাওয়া যায়নি।’ ফলে এই অভিযোগ কিন্তু বারবার থেকে গিয়েছে। সেক্ষেত্রেই বিচারপতি অমৃতা সিনহার বক্তব্য, যদি সরকারের তরফ থেকে সাহায্য করতে তাঁরা অপারক হন, সেক্ষেত্রে তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডাকবেন। এবং সেই মর্মেই কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার, এবং তার পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে,  এই মামলায় পার্টি করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। 

 
রিপোর্টের ভারে ভারাক্রান্ত হাইকোর্ট। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ হচ্ছে না। রাজ্য না পারলে, এবার আধাসামরিক বাহিনীকে দিয়ে কাজ করাতে হবে। পূর্ব কলকাতায় জলাভূমি উদ্ধার সংক্রান্ত মামলায় এদিন এভাবেই রাজ্য সরকারের ভূমিকায় মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এই মামলায় এবার কেন্দ্রীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, পরিবেশ মন্ত্রককে মামলায় পার্টি করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ১৬ মার্চ রয়েছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ২৫ জানুয়ারি গভীর রাতে আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডে ছাই হয়ে যায় জোড়া গোডাউন। ঝলসে মৃত্যু হয় ২৭ জনের, সেখানে জলাভূমি বুজিয়ে গোডাউন তৈরি হয়েছিল বলে, ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *