কলকাতা: গত কয়েকদিন ধরে কলকাতা জুড়ে অভিযানে কলকাতা পুরসভার খাদ্য নিরাপত্তা দফতর। কলকাতার পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে বলছেন এই কয়েকদিনেই ৪০ টি প্রতিষ্ঠানকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। একাধিক প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে। এ ছাড়াও তিনি জানান গোটা সপ্তাহে তাঁরা সব মিলিয়ে ৫৯২ টি প্রতিষ্ঠানে ঢুঁ মেরেছেন।
আরও পড়ুন: প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমিয়েই কোটি কোটি টাকার মালিক, চাকরির বেতন থেকে কীভাবে হতে পারে এত বড় তহবিল?
পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে বলছেন যে ৪০ টি প্রতিষ্ঠানকে সাসপেন্ড করা হয়েছে এর মধ্যে অনেক বড় বড় নামও রয়েছে। তিনি বলেন, “৪০ টি প্রতিষ্ঠানকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে বড় নাম আছে, ডন জিওভানি’স, করিম’স, সিমলা রেস্তোরাঁ, বিহার রেস্তোরাঁ, বিগ বস, নিজাম রেস্তোরাঁ, বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধরমণ মল্লিক, মিষ্টি মুখ, জগবন্ধু মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, শ্রীহরি ফুড।”
সাসপেন্ড মানে কি এই দোকানগুলোকে সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল? পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে বলছেন সাসপেন্ড মানে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া নয়। তিনি বলেন, “সাসপেন্ড মানে বন্ধ করে দেওয়া নয়। ওই দোকানগুলো তাদের লাইসেন্স ফেরত পেতে চাইলে তাদের আবার আবেদন করতে হবে। তখন পুরসভার তরফে পুনরায় সমস্তটা খতিয়ে দেখার জন্য যাওয়া হবে। তখন যদি দেখা যায় সবটাই নিয়ম মেনে হয়েছে, তাদের আবার লাইসেন্স ফেরত পেয়ে যাবে দোকানগুলো।”
মূলত কোন কারণে এই দোকানগুলোকে সাসপেন্ড করা হয়েছে? পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে বলছেন, “আমাদের দল বলছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাটাই আসল। মূল সমস্যা হল এখানে হাইজিন। আর হাইজিনের এই বিষয়টা ঠিক করতে আর কত সময় লাগে?”
এই সময়ই কেন এই অভিযান চলল? পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে বলছেন, “সেপ্টেম্বরের ১ থেকে সেপ্টেম্বরের ৭, আসলে খাদ্য নিরাপত্তা সপ্তাহ। আর সেই সপ্তাহকে পালন করার জন্য আমরা এই ধরনের অভিযান চালিয়ে থাকি। এইবারে খাদ্য নিরাপত্তা সপ্তাহের অংশ হিসাবে এই অভিযান আমরা আরও নিবিড় ভাবে চলিয়েছি। আর শুধু বড় বড় রেস্তোরাঁ নয়, বড় – ছোট সব ধরনের প্রতিষ্ঠানেই আমরা অভিযান চালিয়েছি। আমরা মাছের বাজার, ছানা পট্টি, ডেকার্স লেন, রাজাকাটরা বাজার, কলকাতা রোয়িং ক্লাব, তাজ সহ একাধিক জায়গায় আমরা অভিযান চালিয়েছি।”
Bye Election in Nandigram: পুজোর আগেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন ঘোষণা কমিশনের
