মুম্বই: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়াকে পঞ্চম এবং শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও হারের লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে। ৫ ম্যাচের এই সিরিজে টিম ইন্ডিয়া ৪-০ ব্যবধানে হেরে গিয়েছে। ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর টিম ইন্ডিয়া টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে তাদের আধিপত্যও হারিয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডে একটিও ম্যাচ জিততে না পারার পর কি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কি হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে? এবং প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরকে কি প্রশ্ন করা হবে যে, টি-২০ ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলে অধিনায়ক বদলানোর কী প্রয়োজন ছিল?
যে দল কয়েক মাস আগে বিশ্বকাপ জিতেছিল, তারা আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডে এসে কীভাবে মুখ থুবড়ে পড়ল? যখন আগে থেকেই জানা ছিল যে ব্রিটেনে পরিস্থিতি ভিন্ন হবে, তখন কোচ গম্ভীর কেন সময় মতো প্রস্তুতি নেননি? একজন নতুন অধিনায়কের সঙ্গে আগে থেকে দলকে কেন একত্রিত করা হয়নি?
কোচ গম্ভীর প্রায়শই সাংবাদিক সম্মেলনে হারের পর বলেন যে, সন্ধিক্ষণ চলছে, সেই কারণে এই ফল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে যে, বিশ্বকাপের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই যেখানে খেলছেন, সেখানে তিনি কোন সন্ধিক্ষণের কথা বলছে? যখন থেকে গম্ভীর কোচের ভূমিকায় এসেছেন, তখন থেকে ভারত সেই সমস্ত লজ্জাজনক রেকর্ড গড়েছে যা টিম ইন্ডিয়ার ধারেকাছেও ছিল না।
আরও পড়ুন: মারাদোনার কীর্তি স্পর্শ করলেন আলভারেজ়, মেসির নজির, বিশ্বকাপে একের পর এক রেকর্ড
গম্ভীরের কোচিংয়ে নিউজিল্যান্ড ভারতে এসে টিম ইন্ডিয়াকে টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের ঘরে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে। শ্রীলঙ্কায় ২-০ ব্যবধানে ওয়ান ডে সিরিজ হেরেছে ভারত। আয়ারল্যান্ড টিম ইন্ডিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে এবং এখন ইংল্যান্ড ৪-০ ব্যবধানে টি-২০ সিরিজে পরাজিত করেছে। গম্ভীরের কোচিংয়ে টিম ইন্ডিয়ার করুণ পারফরম্যান্স নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে।
অস্ট্রেলিয়াতেও পারথ টেস্ট জেতার পর ভারত ৩টি টেস্ট হেরেছে এবং সিরিজ হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হল, গৌতম গম্ভীর কখনও নিজের ভুল স্বীকার করছেন না বলে প্রশ্ন উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভক্তরা লিখতে শুরু করেছেন যে, কোচের বোর্ডের সঙ্গে কী বোঝাপড়া আছে যে, নামী খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া হলেও গম্ভীরের গায়ে আঁচড়ও লাগে না। এখন প্রশ্ন হল, আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডে টিম ইন্ডিয়ার ভরাডুবির পরেও কি কোচ হিসাবে গম্ভীরকেই রেখে দেওয়া হবে?
