Humayun Kabir: ‘১০টা খুন হবে, আমার হলে হবে’, উপনির্বাচনের আগে মন্তব্য হুমায়ুন কবীরের, পাল্টা পদক্ষেপ NDA-এর শরিক দলের


কলকাতা: নওদার বিধায়ক এবং AJUP প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের ছেলে গোলাম নবি আজাদ প্রার্থী হয়েছে রেজিনগরে। আগামী ৬ অক্টোবর সেখানে উপনির্বাচন। আর তার আগে পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে, রেজিনগরে নির্বাচনে প্রচার না করার ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়কের এই মন্তব্য নিয়ে সোমবার বহরমপুর থানায় অভিযোগ জানাল NDA-এর শরিক দল রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া (আঠাওয়ালে)। কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক ও পুর-নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও। 

জোড়া কেন্দ্রের উপনির্বাচন ঘিরে এখন টানটান উত্তেজনা। এর মধ্য়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে, রেজিনগরে নির্বাচনে প্রচার না করার ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। পুলিশের উদ্দেশে কার্যত চ্য়ালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। হুমায়ুন কবীর বলেন, ”প্রচার করব না। ভোটে যা হবে হবে। লুঠ করবে পুলিশ। লুঠেরও মোকাবিলা ভোটের দিন করব। তাতে ১০টা খুন হবে, আমার হলে হবে। ওদেরও হলে হবে।” পুলিশ-এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে তিনি আরও বলেন যে, ”এত নোংরা পুলিশ প্রশাসনের আচরণ, বলছি তো এত এরা বাহাদুর, এত এরা শক্তিমান। পোশাক ছেড়ে দিক না, দিয়ে বিজেপির ঝাণ্ডাটা ধরে নিক না, দিয়ে আমি মোকাবিলা করছি। পারুক তো আমার সাথে। আমি AJUP-র পতাকা নিয়ে নামব। এরা বিজেপির সর্বভারতীয় দল, সেই দলের পতাকা নিয়ে এই SP, এই IC, এই OC-রা আর তার যত কনস্টেবল আছে, ফোর্স আছে, যত শক্তি আছে, আমার সাথে নামুক, লড়াই করুক দেখি। আমি লড়াই করতে প্রস্তুত আছি।”

হুমায়ুন কবীরের এই মন্তব্যের পর ময়দানে নামে সরকার পক্ষ। সোমবার বহরমপুর থানায় অভিযোগ জানাল NDA-এর শরিক দল রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া। রিপাবলিকান পার্টির মিডিয়া ইনচার্জ অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘রবিবার তাঁর কিছু উস্কানিমূলক মন্তব্যে আমরা রেজিনগরে যে প্রার্থী দিয়েছি, এবং আমরা যে পার্টির সদস্য, আমরা সবাই ভীত সন্ত্রস্ত। সেইজন্য আজ OC সাহেবের কাছে এসে আমরা এই চিঠিটি জমা দিলাম।’

আরও পড়ুন – ‘আমরা প্রচার করব না, ভোটের দিন যা হবে, হবে…’, উপনির্বাচনের আগেই হুঁশিয়ারি হুমায়ুন কবীরের

হুমায়ুনের মন্তব্য নিয়ে পুর-নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ”হুমায়ুন কবীর সবসময় উস্কানিমূলক রাজনীতি করে এসেছেন। তিনি ভেবেছেন যে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে বিভাজন করে, লাশ পড়বে তো লাশ পড়বে…! লাশ পড়বে কেন? হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে এই বিভাজন করছেন কেন? ১৫ বছর কেন কাজ করেননি? মুসলমানদের জন্য কেন কাজ করেননি? মুসলমানরাও আপনাদের বিশ্বাস করে না, হিন্দুরা তো করেই না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *