Malda: নার্স নয়, স্যালাইনের চ্যানেল খোলার দায়িত্বে ওয়ার্ড বয়, সরকারি হাসপাতালে আঙুল কাটল শিশুর


অভিজিৎ চৌধুরী, মালদা , ৩০ জুন:  নার্সের বদলে ওয়ার্ড বয়ের হাতে স্যালাইনের চ্যানেল খোলার দায়িত্ব, আর সেই চ্যানেল খুলতেই ঘটল বিপত্তি। অভিযোগ, চ্যানেল খুলতে গিয়ে আড়াই মাসের এক শিশুর আঙুল কেটে দিয়েছেন ওয়ার্ড বয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শিশুর পরিবার। ফের একবার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে হাসপাতালের পরিষেবা ব্যবস্থা নিয়ে।

উল্লেখ্য়, গত ২৬ জুন আড়াই মাসের অসুস্থ শিশু কন্যাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার শিশুটির হাসপাতাল থেকে ছুটি হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, ছুটির আগে শিশুটির হাতে লাগানো স্যালাইনের চ্যানেল খুলতে যান হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় উজ্জল কুমার সাহা। শিশুর পরিবারের দাবি, চ্যানেল খোলার সময় কাঁচি ব্যবহার করতে গিয়েই শিশুটির বাম হাতের বুড়ো আঙুল কেটে যায়। ঘটনায় রক্তপাত শুরু হলে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাঁদের আরও অভিযোগ, সেই সময় কর্তব্যরত সিস্টার চেয়ারে বসে থাকলেও তিনি নিজে চ্যানেল না খুলে ওয়ার্ড বয়কে সেই কাজের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ঘটনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিশুর পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি চাঁচল থানাতেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গোটা ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি জানিয়েছেন, ‘ঘটনাটি ভীষণই মর্মান্তিক। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্ত অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।’

এর আগে এই জেলা থেকেই খবর এসেছিল যে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। হাসপাতালে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল ডাইজান আলি মণ্ডলকে। গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে বাঁকুড়ার ওন্দা থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে অভিযুক্তকে। ডাইজান আলি মন্ডল ওন্দা ব্লকের চিঙ্গানী গ্রাম পঞ্চায়েত প্রাক্তন প্রধান ও বর্তমানে ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তৃণমূল নেতা। তিনি ওন্দা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার নাম করে একজনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তাঁর তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *