Messi Event Vandalism: ‘ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা’, যুবভারতীকাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসকেই দায়ী করে ইমেল টিম মেসির


কলকাতা: যুবভারতীকাণ্ডে আরও বিপাকে অরূপ বিশ্বাস, টিম মেসির ইমেল। ছিল না যুবভারতীতে কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মেসিকে বারবার জড়িয়ে ধরছিলেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী। সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিধাননগর কমিশনারেটে টিম মেসির ইমেল। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদে তরফে মেলে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অন্য জায়গাতেও মেসি গিয়েছেন, শুধু নিয়ন্ত্রণ ছিল না কলকাতায়। অরূপ বিশ্বাস ছাড়াও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে টিম মেসির অভিযোগ।’

লিওনেল মেসির দলের তরফে যে মেল পাঠানো হয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে। সেখানে অরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে। অরূপ বিশ্বাস বারবার মেসির কাঁধে ও কোমরে হাত দিচ্ছিলেন। এমনকী প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁরই পরিচিত একাধিক লোক মাঠে ঢুকে গিয়েছিল। যাঁদের ঢোকার কথা ছিল না, তাঁরা কীভাবে মাঠে ঢুকে গিয়েছিল, তা নিয়েও ইমেলে অভিিযোগ জানিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। যে নিরাপত্তার অভাব মেসি নিজে অনুভব করেছিলেন। তাই মেসিকে বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি মাঠ ছাড়তে হয়। মেলে উল্লেখ করা হয়েছে যে মেসি যে মাঠ ছেড়েছিলেন, তা তাঁর নিজের ইচ্ছাতেই মাঠ ছেড়েছিলেন। শতদ্রু দত্তের কোনও ভূমিকা ছিল না এতে, এই কথাও জানানো হয়েছে ইমেলে।

Messi Event Vandalism: 'ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা', যুবভারতীকাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসকেই দায়ী করে ইমেল টিম মেসির

Messi Event Vandalism: 'ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা', যুবভারতীকাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসকেই দায়ী করে ইমেল টিম মেসির

মেসিকাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যও। বিচারপতি বলেছিলেন, ‘মেসিকাণ্ডে আমরা অত্যন্ত লজ্জিত। এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। মেসিকে জড়িয়ে ধরে অরূপ বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছেন!’ বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন করেন, ‘মেসি কি অরূপ বিশ্বাসের বাল্যবন্ধু? অরূপ বিশ্বাস এসব কীভাবে করতে পারলেন? মেসির অত কাছাকাছি অরূপ বিশ্বাস গেলেন কেন? এতে মেসির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি?’ হাইকোর্টের বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘গোটা দেশের আরও অনেক জায়গায় মেসি গেছেন , কোথাও তো এসব হয়নি’।

শুনানির সময় বিচারপতি আরও বলেছিলেন, শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ‘পুলিশ দেখা করতে বলছে, যাচ্ছেন না কেন? কবে যাবেন?” উত্তরে অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী বলেন, ‘আপনি রক্ষাকবচ দিলে কালকেই যাব।’ এরপর আদালত নির্দেশ দেয়, ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিশ দিয়ে অরূপ বিশ্বাসকে তলব করতে হবে। একইসঙ্গে হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, তদন্ত চলবে তদন্তের মতোই। তবে পুলিশ গ্রেফতারের মতো কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না। আদালতের অনুমতি ছাড়া রাজ্য ছাড়তে পারবেন না অরূপ বিশ্বাস। পাশাপাশি তাঁর পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *