Odisha News: বিয়ে করে ফিরছিলেন নবদম্পতি, বরের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বউকে তুলে নিয়ে গেলেন তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক !


Odisha News: ওড়িশার বোলানগির জেলায় ঘটেছে সাংঘাতিক ঘটনা। বিয়ে সেরে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন নবদম্পতি। সেই সময়েই যুবকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে তরুণীকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছে তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক। এ যেন পুরো হিন্দি সিনেমার দৃশ্য। তবে সিলভার স্ক্রিনে নয়, বাস্তবেই ঘটেছে এমন কাণ্ড। পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই যুবক। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত যুবক এবং সদ্য বিবাহিতা তরুণীর খোঁজ চলছে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়।         

বোলানগির জেলার বাসিন্দা হরিবন্ধু পটেলের বিয়ে হয়েছিল সম্প্রতি। বিয়ের অনুষ্ঠানের পর কান্তামাল এলাকায় যাচ্ছিলেন নবদম্পতি। বিয়ের পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই গাড়িতে করে মেয়ের বাড়ি থেকে নিজের বাড়ির দিকে রওনা হয়েছিলেন হরিবন্ধু। কিন্তু মাঝপথেই আটাকানো হয় তাঁদের গাড়ি। অভিযোগ, বড়াবান্ধা এলাকার কাছে তারভা রোডে নবদম্পতির গাড়ি থামানো হয় আচমকাই। হরিবন্ধুর অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক সঙ্গে আরও ২ জনকে নিয়ে এসেছিলেন। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁরা ভয় দেখান বলেও অভিযোগ করেছেন হরিবন্ধু। এরপর জোর করে তাঁর নতুন বউকে টেনে নিয়ে অভিযুক্তের দল। নিমেষের মধ্যে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেন অভিযুক্তরা। গোটা ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে অসহায় ভাবে রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে পড়েন হরিবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা। মাথায় বন্দুক ধরে কেউ তাঁর সদ্য বিয়ে করা বউকে তুলে নিয়ে গিয়েছে, বিষয়টার সঙ্গে স্বভাবতই ধাতস্থ হতে পারেননি হরিবন্ধু। হতবাক হয়ে যান তাঁর পরিবারের সদস্যরাও।       

প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নতুন বর হরিবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা পৌঁছন তারভা থানায়। সেখানে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ হরিবন্ধু পুলিশকে জানান, তাঁর মাথায় বন্দুক ধরে তাঁর নতুন বউকে তুলে নিয়ে গিয়েছে কয়েকজন যুবক। জোরকদমে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে তারভা থানার পুলিশ। ওই তরুণী এবং তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকের খোঁজ চলছে। তরুণীকে নিরাপদে বাড়ি ফেরানোর পাশাপাশি অভিযুক্তকে পাকড়াও করে তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য তারভা থানার পুলিশের। এই ঘটনায় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা, কেউ পরিকল্পনা করে এইসব কাণ্ড ঘটিয়েছে কিনা, সব সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঠিক কী কী ঘটেছিল সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হরিবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের। সাংঘাতিক এই ঘটনায় কারা যুক্ত রয়েছে, কেন এমন কাণ্ড ঘটানো হল, সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।    



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *