Online Jewellery Shopping : অনলাইনে গয়নাগাটি কেনেন? সর্বনাশ ! মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত ধাতু? হতে পারে ক্যান্সারও ! চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট গবেষণায়


অনলাইন শপিং করেন দেদার? মহিলারা অনেকেই অনলাইন স্টোরগুলি থেকে আকর্ষণীয় অফারে অনেক স্টাইলিশ অ্যাকসেসরিজ কিনে থাকেন। বিশেষত জাঙ্ক জুয়েলারির প্রতি অনেকেই আকৃষ্ট। অনেক সময় আকর্কষণীয় অফার-প্রাইসেও কেনা যায় অনলাইনে। আর সেই  দাম দেখে অনেকেই লাফিয়ে পড়ে এগুলি কিনে নেন। কিন্তু জানেন কি, এই সব জাঙ্ক জুয়েলারিতে লুকিয়ে থাকতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি ? একটি গবেষণায় এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। 

কোন ধাতু মেশানো থাকে?

দ্য সানডে টাইমস-এর একটি রিপোর্টে জানা গেছে যে বিভিন্ন বহুলপ্রচলিত শপিং অ্যপের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া কিছু সস্তার রুপোলি রঙের  বা রুপোর মতো দেখতে গয়নায় ক্যাডমিয়াম নামের একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ধাতু পাওয়া যায়। এই ধাতু ক্যান্সার, কিডনির রোগ এবং হাড়ের ক্ষতি করতে পারে। আসলে, কিছুদিন আগেই এই ধরনের কিছু গয়না বার্মিংহামে ল্যাবরেটরিতে  পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। 

পরীক্ষায় কী উঠে এল? 

এই পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অ্যামাজন স্টোরে ২.৯৯ পাউন্ড (প্রায় ৩৮৭ টাকা) দামে বিক্রি হওয়া একটি আংটিকে ৯২৫ স্টার্লিং সিলভার বলা হয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, তাতে ৯২.৩ শতাংশ ক্যাডমিয়াম ছিল, তাই তার দামও অনেক সস্তা ছিল। আসলে সেই সব গয়নায় কমপক্ষে ৯২.৫ শতাংশ বিশুদ্ধ রূপা থাকা উচিত ছিল। ক্যাডমিয়ামের এই পরিমাণ ব্রিটেনের নির্ধারিত মাত্রার থেকে ৯ হাজার গুণ বেশি ছিল। এবার ভারতে এই সীমারেখা ভিন্ন হতে পারে। ভারতীয় বাজারে এই ধরনের গয়নাও এমন ক্ষতিকারক কি না, তা এই গবেষণা থেকে জানা যায়নি। এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, একইভাবে, ৯৯৯ সিলভার এবং তিব্বতি সিলভার বলে বিক্রি হওয়া কিছু কানের দুলে ক্যাডমিয়ামের পরিমাণ হাজার হাজার গুণ বেশি পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, টিকটক শপে ৯২৫ সিলভার বলে বিক্রি হওয়া একটি ব্রেসলেটের চার্মসে ৩৩ শতাংশ ক্যাডমিয়াম পাওয়া গেছে, যা নির্ধারিত ঊর্ধ্বসীমার থেকে প্রায় ৩৩০০ গুণ বেশি ছিল।

ক্যাডমিয়াম কতটা বিপজ্জনক?

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ক্যাডমিয়াম একটি বিষাক্ত ধাতু, যা সাধারণত রিচার্জেবল ব্যাটারি এবং শিল্পজাত পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এটি ধীরে ধীরে শরীরে জমা হতে থাকে এবং কিডনির ক্ষতি করতে পারে, হাড় দুর্বল করতে পারে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

সংস্থাগুলি কী বলছে ? 

এই  রিপোর্ট সামনে আসার পর অ্যামাজন জানিয়েছে যে তারা গ্রাহক সুরক্ষাকে গুরুত্ব সহকারে দেখে এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর এমন পণ্যগুলি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। অন্যদিকে, টিকটক শপ সংশ্লিষ্ট বিক্রেতার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং বিষাক্ত ব্রেসলেট কেনা গ্রাহকদের জন্য প্রোডাক্ট রিকলও জারি করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *