Suvendu Adhikari: BRICS সম্মেলনের নৈশভোজে আমন্ত্রিত শুভেন্দু অধিকারী, বিনিয়োগ টানতে মুকেশ আম্বানির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা 


কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে শিল্পে বড় বিনিয়োগ টানতে তৎপর রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দিল্লিতে BRICS সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি মুম্বইয়ে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। রাজ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের বড় সংস্থাগুলিকে আরও বেশি করে বিনিয়োগে উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: মাসের বিদ্যুতের বিল এক ধাক্কায় ২ হাজার টাকা কমাতে চান? কী করলে আপনার খরচ কমবে, জানেন কি?

শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর কলকাতার নিউ টাউনে আদানি গোষ্ঠীর প্রস্তাবিত ২ হাজার শয্যার হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানিরও থাকার কথা। হাসপাতালটির অর্ধেক শয্যা আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির মানুষের জন্য রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

মুম্বই সফর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি মুকেশ আম্বানির সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি অনন্ত আম্বানি তাঁকে পরিবারের গণেশ পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির পুনরুজ্জীবনে বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: ‘Mr Singh’ মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ আমেরিকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের বিজ্ঞাপনে

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে একটি প্রতিরক্ষা প্রকল্প গড়ে তোলার বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। তাঁর দাবি, DRDO-র পক্ষ থেকে আগের রাজ্য সরকারকে এই প্রকল্প নিয়ে চিঠি দেওয়া হলেও কোনও জবাব মেলেনি। বর্তমান সরকার সেই চিঠির জবাব দিয়েছে। উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী, জুনপুটে দেশের অস্ত্রব্যবস্থার পরীক্ষার জন্য DRDO-র একটি কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।               

এদিকে, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। দুর্গাপুজোর আগেই তিনি প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি ৩৩টি সংস্থাকে তাদের প্রকল্প গড়ার জন্য দ্রুত জমি হস্তান্তরের কথাও জানান তিনি।               

শুভেন্দুর বক্তব্য, বড় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার বিনিয়োগ বাড়লে রাজ্যের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। সেই অতিরিক্ত রাজস্ব শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *