Suvendu Adhikari PA Death: বড় প্রমাণ এবার হাতেনাতে, গোটা অপারেশনে ৭-৮ দুষ্কৃতী, রেলগেট-এয়ারপোর্টের কাছে মিলল এগুলি!


কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনে কারা জড়িত? খুনের মাস্টারমাইন্ড কে বা কারা? মোটিভই বা কী? উত্তর খুঁজছে পুলিশ। গোটা বিষয়টির নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র, মনে করছেন তদন্তকারীরা। খুনের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় দুষ্কৃতীরা, খুনিদের তারাই তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছে, খবর পুলিশ। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ খুনে দুটি বাইকই উদ্ধার, খবর পুলিশ সূত্রে। দ্বিতীয় বাইকটি বারাসাত ১১ নম্বর রেলগেটের কাছ থেকে উদ্ধার। প্রথম বাইকটি গতকালই এয়ারপোর্ট আড়াই নম্বর গেটের কাছ থেকে উদ্ধার হয়।              

যে গাড়ি দিয়ে চন্দ্রনাথের গাড়ি আটকানো হয়, তা ছিল এই ১১ নম্বর রেলগেটের কাছেই, খবর পুলিশ সূত্রে। খুনের আগে দিনভর বারাসাত ১১ নম্বর রেলগেটের কাছে ছিল বাজেয়াপ্ত হওয়া মাইক্রা গাড়িটি, খবর পুলিশ সূত্রে।

আরও পড়ুন, ‘কেন চন্দ্রনাথকে টার্গেট করা হল, কারা এর মাস্টারমাইন্ড?’ এবার সামনে এল বিরাট তথ্য

গোটা অপারেশনে অন্তত ৭ থেকে ৮ জন দুষ্কৃতী আছে, ধারণা পুলিশের। অপরাধের আগে নিজেদের মধ্যে হোয়াট্স অ্যাপ গ্রুপ বানিয়ে তথ্য আদানপ্রদান করছিল দুষ্কৃতীরা, খবর পুলিশ সূত্রে। চন্দ্রনাথের গাড়ির পিছনে রহস্যজনক একটি লাল গাড়ির অস্তিত্ব নিয়ে সন্দিহান তদন্তকারীরা, খবর সূত্রের। ওই লাল গাড়ি চেপেও কয়েকজন দুষ্কৃতী পালিয়েছে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।

ওই লাল গাড়ির কোনও হদিশ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের ধরতে উত্তরপ্রদেশে পাড়ি দিল পুলিশের দল, খবর পুলিশ সূত্রে। মাইক্রা গাড়িটিকে বেচতে দেওয়া বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করা হয়েছিল উত্তরপ্রদেশ থেকে, খবর পুলিশ সূত্রে। কারা যোগাযোগ করেছিল গাড়ির মালিকের সঙ্গে, তাঁদের সঙ্গে কি যোগাযোগ ছিল খুনিদের? 

নাহলে এত তাড়াতাড়ি এলাকা বুঝে ঘটনাস্থল থেকে পালানো সম্ভব ছিল না খুনিদের, ধারণা পুলিশের। তদন্তে কোনও ফাঁক না রাখতে মধ্যমগ্রাম থানার আগের IC সতীনাথ চট্টরাজকে এলাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় ইনপুট নিচ্ছেন তদন্তকারীরা, খবর পুলিশ সূত্রে। তদন্তের জন্য রাজ্য পুলিশ ও CID অফিসারদের নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ টিম। উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, রিপোর্ট চাইল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ADG CID, BSF-এর DG-র, নমুনা সংগ্রহ ফরেন্সিকের। 

চন্দ্রনাথ খুনে ব্যবহৃত নিসান মাইক্রা গাড়িটিতে মেলেনি কোনও ফিঙ্গারপ্রিন্ট। গ্লাভস পরে ছিল আততায়ীরা? সন্দেহ তদন্তকারীদের। খুনে ব্যবহৃত গাড়িগুলি কে-কাকে বিক্রি করেছিল, জানতে তদন্ত।             



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *