- টিসিএস ২০২৭ অর্থবর্ষে ২৫,০০০ নতুন কর্মী নিয়োগ করবে।
- প্রযুক্তি খাতে কর্মী ছাঁটাইয়ের মাঝে টিসিএস-এর নতুন নিয়োগ।
- নতুনদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজে লাগানোর উপর জোর দিচ্ছে টিসিএস।
- অভিজ্ঞদের বদলে নতুনদের নিয়োগের কারণ কাঠামোগত চিন্তাধারা।
Tata Consultancy Services : টেক সেক্টরে চাকরি ছাঁটাইয়ের (Layoffs) দিনে এবার টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (TCS) শোনাল সুখবর। আগামী দিনে ২৫ হাজার ফ্রেসারের চাকরি (Jobs) হবে টিসিএসে। কবে থেকে এই চাকরি, তা নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলল কোম্পানি। জেনে নিন, আপনার কবে শিঁকে ছিঁড়বে।
এবার থেকে চাহিদা অনুযায়ী চাকরি
কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৭ অর্থবর্ষে টিসিএস ২৫,০০০ নতুন কর্মী নিয়োগ করবে। ফ্রেসারদের জন্য খোলা হবে এই উইন্ডো। এর আগে ২০২৬ সালে ৪৪ হাজার কর্মী নিয়েছিল কোম্পানি, যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, তবে কি আগের মতো আর কর্মী নেবে না টিসিএস। এই বিষয়ে কোম্পানির তরফে বলা হয়েছে, এরকম নয় যে- কোম্পানি আর কর্মী নিয়োগ করছে না। ইতিমধ্যেই ২৫ হাজার কর্মী নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মীদের জন্য দরজা এখনও বন্ধ হয়নি। সংবাদ সংস্থা PTI কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেছেন কোম্পানির চিফ এক্সকিউটিভ ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর।
নিয়োগের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে টিসিএস
সংবাদ সংস্থা পিটিআই এর রিপোর্ট বলছে, ২০২৬ অর্থবর্ষে কোম্পানি ৪৪,০০০ নতুন কর্মী নিয়োগ করেছিল। পরিসংখ্যান বলছে, ভারতের বেসরকারি খাতে এটি ছিল অন্যতম সবথেকে বেশি নিয়োগ। প্রযুক্তি খাতে যখন সবাই কর্মী ছাঁটাইয়ের দিকে ঝুঁকছে, সেখানে টিসিএসের এই নিয়োগ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ টানা কিছু বছর ধরে ৪০,০০০-এর বেশি কর্মী নিয়োগ করে চলেছে কোম্পানি।
অভিজ্ঞ কর্মীদের চেয়ে নতুন কর্মীরা কেন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে
অনেকেই বলছেন, টিসিএস এখন কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘ল্যাটারাল রিক্রুট’ বা অভিজ্ঞ পেশাদারদের থেকে সরে আসছে। এই প্রসঙ্গে কোম্পানির চিফ এক্সকিউটিভ ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে ক্রিতিবাশন বলেন, কোম্পানির মূল কাজের ধরনের বা নিয়োগের পদ্ধতিতে কোনও বদল করা হয়নি। বাস্তবে, নতুন কর্মীরা কোনও ‘লাইভ’ প্রকল্পে যোগদানের আগে তাদের পিছনে যথেষ্ট সময় বিনিয়োগ করতে হয়। একজন নতুন কর্মী কাজের মূল পরিবেশে যোগ দেওয়ার আগে তাকে প্রায় নয় মাস পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নেয়।
অন্যদিকে একজন অভিজ্ঞ কর্মী নিয়োগের পরপরই কাজ শুরু করে দিতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, এটা কোনও অসাবধানতাবশত পদক্ষেপ নয়; বরং এটি কোম্পানির কাঠামোগত বা মৌলিক চিন্তাধারার একটি প্রতিফলন। এখানে নতুন করে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না।
