কলকাতা: তৃণমূলের পার্টি অফিস ও অভিষেকের অফিসে অভিযান সিআইডির। একদিকে সইজালিয়াতিকাণ্ডে হরিশ চ্যাটার্জিস্ট্রিটে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির উল্টোদিকে তৃণমূলের দলীয় অফিসে পৌঁছয় CID. ঠিক এমনই সময় এসে পৌঁছলেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু সিআইডি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তদন্ত চলাকালীন কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
আরও পড়ুন, আজ বিকেল ৫টায় ভবানীভবনে অভিষেককে হাজিরার নোটিস, কী জানালেন তিনি ?
কুণাল ঘোষ বলেন, কোন তদন্তে ওনারা এসেছেন, তাও জানি না। তার সঙ্গে কী সম্পর্ক আমি তাও জানি না। আমি আমার কাজে এসেছি। আমি বলতে পারব না। সিআইডি কেন এসেছে, এবিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে পারব না। আমি এটুকু বলছি আমার একটা কাজে এখানে আসারই ছিল। আমি সেই কাজেই আমি এখানে এসেছি। আসার পথে আমি শুনেছি, শোনার পর আমি কী করব, সিআইডি আছে শুনে আমি কি ব্যাক করে যাব নাকি। আমি এসেছি, এবার ভেতর থেকে আমাকে, যাওয়ার জন্য বলছেন। আবার সিআইডির যারা রয়েছেন, তাঁরা ভিতরে যেতে অনুমতি দিচ্ছেন না। এখন সেই জন্য আমি দাঁড়িয়ে আছি। এটা তো আইনি বিষয়, এটা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। ‘
কালীঘাট, ৩০ বি হরিশ চ্য়াটার্জি স্ট্রিট, কদিন আগে পর্যন্ত রাজ্য়ের সবচেয়ে হাই প্রোফাইল ঠিকানা ছিল এটি। আর মঙ্গলবার সেখানেই তল্লাশি অভিযান চালাল সিআইডি। সই জালিয়াতিকাণ্ডে এক দিনে, একসঙ্গে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বাড়ি লাগোয়া পার্টি অফিস এবং ক্য়ামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অফিসে অভিযান চালাল রাজ্য় পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। টানটান উত্তেজনা, নাটকীয় পরিস্থিতি। সিআইডি থেকে কালীঘাট থানার পুলিশ, শেষ অবধি নামাতে হল কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রীর বাড়ি লাগোয়া পার্টি অফিসে ঢুকল সিআইডি।
প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলে এই টানটান পরিস্থিতি। সিআইডির কড়া অবস্থানের সামনে একটা সময় পিছু হঠতে বাধ্য় হন তৃণমূল নেতা। বাধা উপেক্ষা করে ভিতরে ঢোকেন সিআইডি অফিসাররা। প্রতিটা মুহূর্তের ভিডিওগ্রাফি করা হয়। তৃণমূল সাংসদ কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, ওঁরা এসেছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অফিস সার্চ করার জন্য়। ওদের বক্তব্য় হচ্ছে, যেহেতু ৩০ বি হরিশ চ্য়াটার্জি স্ট্রিটে রেজোলিউশন নেওয়া হয়েছে, অতএব, রেজোলিউশনের কপি এখানে আছে। সিআইডি-র আরেকটা টিম পৌঁছয়, ক্য়ামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অফিসে, সঙ্গে ছিল শেক্সপীয়র সরণি থানার পুলিশ।
