Headlines

US News: আমেরিকার পাসপোর্টে এবার ট্রাম্পের ছবি, সোনার কয়েনেও থাকবে মুখ, প্রেসিডেন্টের নামে নামকরণ হচ্ছে বিমানবন্দরেরও, বিতর্ক চরমে


দেশের সংবিধানের ঊর্ধ্বে গিয়ে তৃতীয় বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে নাম লেখাবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা উস্কে দিয়েছেন নিজেই। সেই নিয়ে কাটাছেঁড়ার মধ্যেই বড় ঘোষণা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। জানালেন, ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ পাসপোর্ট আনতে চলেছে আমেরিকার সরকার, যাতে তাঁর ছবি থাকবে।

দেশের সংবিধানের ঊর্ধ্বে গিয়ে তৃতীয় বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে নাম লেখাবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা উস্কে দিয়েছেন নিজেই। সেই নিয়ে কাটাছেঁড়ার মধ্যেই বড় ঘোষণা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। জানালেন, ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ পাসপোর্ট আনতে চলেছে আমেরিকার সরকার, যাতে তাঁর ছবি থাকবে।

কেমন দেখতে হবে সেই পাসপোর্ট, তার একঝলক সকলের সামনে তুলে ধরেছেন ট্রাম্প নিজেই। স্বাধীনতার ২৫০তম বর্ষ উপলক্ষে তৈরি ওই বিশেষ ধরনের পাসপোর্টে থাকছে ট্রাম্পের ছবি।ওভাল অফিসের ডেস্কে হাত রেখে দাঁড়িয়ে তিনি। পিছনে রয়েছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। পাসপোর্টে থাকছে ট্রাম্পের সইও।

কেমন দেখতে হবে সেই পাসপোর্ট, তার একঝলক সকলের সামনে তুলে ধরেছেন ট্রাম্প নিজেই। স্বাধীনতার ২৫০তম বর্ষ উপলক্ষে তৈরি ওই বিশেষ ধরনের পাসপোর্টে থাকছে ট্রাম্পের ছবি।ওভাল অফিসের ডেস্কে হাত রেখে দাঁড়িয়ে তিনি। পিছনে রয়েছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। পাসপোর্টে থাকছে ট্রাম্পের সইও।

তবে শুধু পাসপোর্টই নয়, ট্রাম্পের ছবি-সহ নতুন সোনার মুদ্রাও আসছে আমেরিকায়। মার্চ মাসেই আমেরিকার কমিশন অফ ফাইন আর্টস ২৪ ক্যারেটের ওই সোনার মুদ্রার নকশায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রীয় আইনে জীবিত অবস্থায় কোনও রাষ্ট্রপতির ছবি মুদ্রায় বসানোর অনুমতি নেই। কিন্তু ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের হাতেই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সোনার কয়েন্ট তৈরি এবং ইস্যু করার।

তবে শুধু পাসপোর্টই নয়, ট্রাম্পের ছবি-সহ নতুন সোনার মুদ্রাও আসছে আমেরিকায়। মার্চ মাসেই আমেরিকার কমিশন অফ ফাইন আর্টস ২৪ ক্যারেটের ওই সোনার মুদ্রার নকশায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রীয় আইনে জীবিত অবস্থায় কোনও রাষ্ট্রপতির ছবি মুদ্রায় বসানোর অনুমতি নেই। কিন্তু ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের হাতেই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সোনার কয়েন্ট তৈরি এবং ইস্যু করার।

ট্রাম্পের ছবি বসানো কয়েনের বিরোধিতা করে আদালতে যান পোর্টল্যান্ডের এক আইনজীবী। কিন্তু জেলা আদালতের বিচারক মামলাটি গ্রহণ করতে রাজি হননি। মুদ্রায় ট্রাম্পের ছবি থাকায় কেন আপত্তি আবেদনকারীর, এতে ব্যক্তিগত ভাবে তাঁর কোনও ক্ষতি হচ্ছে কি না, পাল্টা প্রশ্নও তোলেন বিচারক।কবে ট্রাম্পের ছবি বসানো সোনার কয়েন হাতে আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আপাতত ৪৭টি কয়েন উপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে, য়ার প্রত্যেকটিতে ১৯.৭ আউন্স করে সোনা থাকবে। নিলামে তোলা হবে ন্যূনতম ৯০০০০ ডলারে।

ট্রাম্পের ছবি বসানো কয়েনের বিরোধিতা করে আদালতে যান পোর্টল্যান্ডের এক আইনজীবী। কিন্তু জেলা আদালতের বিচারক মামলাটি গ্রহণ করতে রাজি হননি। মুদ্রায় ট্রাম্পের ছবি থাকায় কেন আপত্তি আবেদনকারীর, এতে ব্যক্তিগত ভাবে তাঁর কোনও ক্ষতি হচ্ছে কি না, পাল্টা প্রশ্নও তোলেন বিচারক।কবে ট্রাম্পের ছবি বসানো সোনার কয়েন হাতে আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আপাতত ৪৭টি কয়েন উপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে, য়ার প্রত্যেকটিতে ১৯.৭ আউন্স করে সোনা থাকবে। নিলামে তোলা হবে ন্যূনতম ৯০০০০ ডলারে।

তালিকা কয়েনেও শেষ নয়। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ২ জুলাই থেকে জন্মগ্রহণকারী সব শিশুদের জন্য বিশেষ সোশ্যাল সিকিওরিটি কার্ডও তৈরি হচ্ছে, যাতে লেখা থাকবে ‘Freedom 250’. ট্রাম্পের ছবি বা সই না থাকলেও, ‘Freedom 250’ ট্রাম্পের মদতপুষ্ট একটি বেসরকারি সংগঠন।আমেরিকার কংগ্রেসের অলাভজনক সংস্থা America 250 গোটা বিষয়টি তদারকি করবে বলে জানা যাচ্ছে। ১০ বছর আগে সূচনা হয় ওই সংস্থার।

তালিকা কয়েনেও শেষ নয়। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ২ জুলাই থেকে জন্মগ্রহণকারী সব শিশুদের জন্য বিশেষ সোশ্যাল সিকিওরিটি কার্ডও তৈরি হচ্ছে, যাতে লেখা থাকবে ‘Freedom 250’. ট্রাম্পের ছবি বা সই না থাকলেও, ‘Freedom 250’ ট্রাম্পের মদতপুষ্ট একটি বেসরকারি সংগঠন।আমেরিকার কংগ্রেসের অলাভজনক সংস্থা America 250 গোটা বিষয়টি তদারকি করবে বলে জানা যাচ্ছে। ১০ বছর আগে সূচনা হয় ওই সংস্থার।

শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ১০০ ডলার মূল্যের নোটের ছবিও পোস্ট করেন ট্রাম্প, যাতে তাঁর সই ছিল। কয়েক মাস আগেই আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ জানায়, ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের সই থাকতেই পারে কাগজের মুদ্রায়।স্কট বেসেন্টের দাবি ছিল, ট্রাম্প যে অর্থনৈতিক কৃতিত্ব অর্জন করেছে, তাতে আমেরিকার স্বাধীনতাপ্রাপ্তির ২৫০তম বছরে মুদ্রায় তাঁর সই থাকা যুক্তিসঙ্গত। জুন মাসেই নতুন মুদ্রা ছাপার কাজ শুরু হয়েছে আমেরিকায়। তবে তা হাতে আসতে সময় লাগবে।

শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ১০০ ডলার মূল্যের নোটের ছবিও পোস্ট করেন ট্রাম্প, যাতে তাঁর সই ছিল। কয়েক মাস আগেই আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ জানায়, ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের সই থাকতেই পারে কাগজের মুদ্রায়।স্কট বেসেন্টের দাবি ছিল, ট্রাম্প যে অর্থনৈতিক কৃতিত্ব অর্জন করেছে, তাতে আমেরিকার স্বাধীনতাপ্রাপ্তির ২৫০তম বছরে মুদ্রায় তাঁর সই থাকা যুক্তিসঙ্গত। জুন মাসেই নতুন মুদ্রা ছাপার কাজ শুরু হয়েছে আমেরিকায়। তবে তা হাতে আসতে সময় লাগবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ফ্লোরিডার ‘পাম বিচ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে’র নাম বদল করে ‘ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ রাখার বিল পাস হয়। ইতিমধ্যেই বিমানবন্দরমুখী রাস্তায় ট্রাম্পের নামে ‘ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ লেখা সাইনবোর্ড বসানো হয়ে গিয়েছে। ওই বিমানবন্দরের ডিরেক্টর জানিয়েছেন, ৯ জুলাই নামবদল হবে বিমানবন্দরের। ওই বিমানবন্দরের IATA কোড বর্তমানে PBI, যা বদলে DJT হবে ১৮ অগাস্ট থেকে। তার পর থেকে ওই কোডই লেখা থাকবে বিমানের টিকিটে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ফ্লোরিডার ‘পাম বিচ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে’র নাম বদল করে ‘ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ রাখার বিল পাস হয়। ইতিমধ্যেই বিমানবন্দরমুখী রাস্তায় ট্রাম্পের নামে ‘ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ লেখা সাইনবোর্ড বসানো হয়ে গিয়েছে। ওই বিমানবন্দরের ডিরেক্টর জানিয়েছেন, ৯ জুলাই নামবদল হবে বিমানবন্দরের। ওই বিমানবন্দরের IATA কোড বর্তমানে PBI, যা বদলে DJT হবে ১৮ অগাস্ট থেকে। তার পর থেকে ওই কোডই লেখা থাকবে বিমানের টিকিটে।

ওয়াশিংটন ডিসি-তে ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রীয় ভবনগুলিতে ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত ব্যানার ঝোলানো হয়েছে, যা মাটি থেকে একেবারে তিন তলা পর্যন্ত দীর্ঘ। ট্রাম্পের নির্বাচনী স্লোগান ‘America First’ লেখা রয়েছে ব্যানারগুলিতে, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

ওয়াশিংটন ডিসি-তে ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রীয় ভবনগুলিতে ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত ব্যানার ঝোলানো হয়েছে, যা মাটি থেকে একেবারে তিন তলা পর্যন্ত দীর্ঘ। ট্রাম্পের নির্বাচনী স্লোগান ‘America First’ লেখা রয়েছে ব্যানারগুলিতে, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এর আগে, দ্বিতীয়বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় নিজের নামে নামাঙ্কিত ক্রিপ্টোকারেন্সি ‘$Trump Coin’ চালু করেন ট্রাম্প।গোড়ার দিকে বহু মানুষ ‘$Trump Coin’-এ বিনিয়োগও করেন। কিন্তু জুন মাসের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৩.৮১ বিলিয়ন ডলার ডুবে গিয়েছে।

এর আগে, দ্বিতীয়বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় নিজের নামে নামাঙ্কিত ক্রিপ্টোকারেন্সি ‘$Trump Coin’ চালু করেন ট্রাম্প।গোড়ার দিকে বহু মানুষ ‘$Trump Coin’-এ বিনিয়োগও করেন। কিন্তু জুন মাসের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৩.৮১ বিলিয়ন ডলার ডুবে গিয়েছে।

২০২৫ সালে যে ইনভেস্টমেন্ট ভিসা প্রকল্প চালু করেন ট্রাম্প, তাতে ‘Gold Card’ চালু করা হয়। ১ মিলিয়ন ডলার দিয়ে আমেরিকার ভিসা পাওয়া যায় তাতে। ওই ‘Gold Card’-এও ট্রাম্পের ছবি, সই রয়েছে। TrmupRX নামের একটি ওয়েবসাইটেরও ঘোষণা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, যাতে সস্তায় ওষুধ কেনা যায়। আমেরিকার ‘কেনেডি সেন্টারে’র নাম বদল করে ‘Trump Kennedy Center’ করা হয় গত ডিসেম্বরে। পরে আদালতের নির্দেশে এবছর জুন মাসে আগের নাম ফেরাতে হয়।

২০২৫ সালে যে ইনভেস্টমেন্ট ভিসা প্রকল্প চালু করেন ট্রাম্প, তাতে ‘Gold Card’ চালু করা হয়। ১ মিলিয়ন ডলার দিয়ে আমেরিকার ভিসা পাওয়া যায় তাতে। ওই ‘Gold Card’-এও ট্রাম্পের ছবি, সই রয়েছে। TrmupRX নামের একটি ওয়েবসাইটেরও ঘোষণা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, যাতে সস্তায় ওষুধ কেনা যায়। আমেরিকার ‘কেনেডি সেন্টারে’র নাম বদল করে ‘Trump Kennedy Center’ করা হয় গত ডিসেম্বরে। পরে আদালতের নির্দেশে এবছর জুন মাসে আগের নাম ফেরাতে হয়।

Published at : 07 Jul 2026 06:46 AM (IST)

আরও জানুন খবর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *