লন্ডন: আরিয়ানা সাবালেঙ্কাকে(Aryna Sabalenka) হারিয়ে প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র ওপেন(US Open 2026) চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এলিনা রিবাকিনা(Elena Rybakina)। মহিলাদের সিঙ্গেলসের ফাইনালে টানা দু’বারের চ্যাম্পিয়ন আরিনা সাবালেঙ্কাকে প্রায় একপেশে লড়াইয়ে হাান এলিনা। তিন সেটের টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে ৬-৪, ৫-৭, ৬-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেন কাজাখস্তানের এই তারকা। এর আগে ২০২২ সালে উইম্বলডন ও ২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতেছিলেন রিবাকিনা। এরপর এই প্রথম কোনও গ্র্যান্ডস্লাম জিতলেন তিনি। মারিয়া শারাপোভা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের মঞ্চে। তিনিই ট্রফি তুলে দেন রিবাকিনাকে।
আর্থার অ্য়াশ স্টেডিয়ামে কিন্তু খাতায় কলমে এগিয়ে থেকেই কোর্টে নেমেছিলেন সাবালেঙ্কা। ফাইনালে ২ ঘণ্টা ২১ মিনিটের লড়াই শেষে জয় নিশ্চিত করেন দ্বিতীয় বাছাই রিবাকিনা। প্রথম সেট ৬-৪ এ জেতার পর দ্বিতীয় সেটে সাবালেঙ্কা দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৫-৭ ব্যবধানে জিতে নেন। তবে নির্ণায়ক তৃতীয় সেটে নিজের ছন্দ বজায় রেখে ৬-২ ব্যবধানে ম্যাচে নিজের জয় নিশ্চিত করেন রিবাকিনা। আর কেরিয়ারের তৃতীয় গ্র্য়ান্ডস্লাম জেতার পর ডব্লিউটিপি ক্রমতালিকায় নিজের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেন রিবাকিনা। খেলার শুরুর গেমগুলোতে সাবালেঙ্কার চেয়ে রিবাকিনাকে কিছুটা বেশি আগ্রাসী ও আধিপত্য বিস্তার করতে দেখা যায় কোর্টে। দ্রুত ম্য়াচ নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছিলেন কাজখাস্তানের টেনিস সুন্দরী।
মহিলাদের সিঙ্গলস জিতলে টানা তৃতীয়বার যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জয়ের সুযোগ থাকত আরিনা সাবালেঙ্কা। একইসঙ্গে শীর্ষস্থানও টলমলে হয়ে যায় সাবালেঙ্কার। গত ৯৯ সপ্তাহ ধরে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের ১ নম্বরে ছিলেন সাবালেঙ্কা। আগামী সোমবার র্যাঙ্কিংয়ের নতুন সূচি বেরবে, তখন সাবালেঙ্কাকে সরিয়ে শীর্ষস্থান দখল করবেন রিবাকিনা।
রিবাকিনার সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাতে সাবালেঙ্কা এখনও ১০-৮ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ওপেন ফাইনাল সহ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে WTA Finals-এ সাবালেঙ্কাকে হারিয়েছিলেন রিবাকিনা। ২০২৬ অর্থাৎ চলতি বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ফাইনালেও সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে নিজের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্লাম জেতেন রিবাকিনা। এরপর ইন্ডিয়ান ওয়েলস ফাইনাল ও মিয়ামি ওপেনে সেমিফাইনালে রিবাকিনাকে হারিয়ে পরপর দুটো শিরোপা জেতেন সাবালেঙ্কা।
যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে এর আগে অনেক অঘটন দেখা গিয়েছে। নোভাক জকোভিচ দ্রুত ছিটকে গিয়েছিলেন। এছাড়াও অঘটন হয়েছে কার্লোস আলকারাজের ছিটকে যাওয়া।
