পূর্ব মেদিনীপুর: মেচেদায় গিয়ে ফের অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদনকারীদের মধ্যে যোগ্য ও অযোগ্য নিয়েও এদিন কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে জরুরি বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কাউকে চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। পূর্বতন সরকারকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ৫০০ টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিতে গিয়ে, ৯ মাস লাগিয়ে দিয়েছিল। ১ কোটি ২০ লক্ষ লোককে তো দেড় মাসে দিয়ে দিয়েছি। বাকি যারা যোগ্য তাঁরা পাবেন। অযোগ্য থাকলে বেরিয়ে যাবেন। ভেরিফিকেশন ৩০.০৮.২৬ অবধি চলবে। প্রত্যেকটা বিধানসভায় গড়ে ৩৫-৪০ হাজার মহিলারা পেয়েছেন।ওরা আমাদের ধন্যবাদ দিচ্ছেন। মোদিজির নামে জয়ধ্বনী হচ্ছে। বাকি যদি প্রয়োজন হয়, আরও ২ হাজার , ৫ হাজার , ৭ হাজার প্রকৃত প্রাপক থেকে থাকেন, পাবেন।’
দ্বিগুণ হয়েছে টাকার অঙ্ক
অন্নপূর্ণা যোজনায় এখনও পর্যন্ত আবেদনকারী ১ কোটি ৬০ লক্ষ। বাদ গিয়েছে ২৬ লক্ষ আবেদনকারীর নাম, সম্প্রতি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছয় ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা। দ্বিতীয় দফায় শুরু হয় ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র প্রাপ্তি যোগ। তৃণমূল আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সাধারণ মহিলাদের জন্য বরাদ্দ ছিল মাসে দেড় হাজার টাকা।বিজেপি আমলে এই প্রকল্পের নাম বদলে হয়েছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’। দ্বিগুণ হয়েছে টাকার অঙ্ক। নেতাজি ইন্ডোরের অনুষ্ঠান থেকে দুই ২৪ পরগনর কলকতা, হাওড়া ও হুগলি-র ৫ মহিলার হাতে প্রকল্পের শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন মখ্যমন্ত্রী। ছিলেন সহ অন্যান্য মন্ত্রী ও মুখ্যসচিব।
‘পুরুষ লক্ষ্মী’ কটাক্ষ
তৃণমূল জমানায় মহিলাদের জন্য় চালু হওয়া প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-এর টাকা কীভাবে পুরুষরা পেয়েছিলেন, তা এখন সামনে আসছে। সেই বিষয়টা নিয়েও সুর চড়ান মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, আপনি বলুন, আগের সরকার মহিলাদের জন্য় চালু করেছিলেন, ৫০০-৫০০-৫০০ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য় ছিল মহিলাদের অ্য়াকাউন্টে যাওয়ার। আপনি অবাক হয়ে যাবেন, এই ২ কোটির মধ্য়ে ১০ লক্ষ পুরুষ বেরিয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামের টাকা কি পুরুষের অ্য়াকাউন্টে যাওয়া উচিত? তাই, ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রয়োজন ছিল। ‘
