আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, নেশা বিরোধী অভিযানে জলপাইগুড়ি পুলিশ সক্রিয় হতেই উদ্ধার বেআইনি মদ


রাজা চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়ি: গত মাসের ২৭ তারিখ জেলাশাসকের দফতরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) প্রশাসনিক বৈঠক সেরে জল্পেশের উদ্দেশে যাওয়ার সময় বিডিও অফিস সংলগ্ন বিনয়-বাদল-দীনেশ মূর্তির সামনে বেশ কিছু যুবকের ডাকে সাড়া দিয়ে কনভয় থামিয়ে দেন তিনি। এলাকা যে নেশার আখড়া হয়ে উঠেছে সেই সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন স্থানীয়রা। অভিযোগের পর থেকেই জলপাইগুড়ি শহরে (Jalpaiguri News) নেশা বিরোধী অভিযানে আরও সক্রিয় হয়েছে পুলিশ।

মুখ্যমন্ত্রী কে সমস্যার কথা তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গেই একটি নম্বর দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার পরপরই পুলিশের তরফে নেশা বিরোধী অভিযান নিয়ে তৎপরতা বাড়ে। সেই মতোই মঙ্গলবার রাতে জলপাইগুড়ির ইন্দিরা গান্ধী কলোনী এলাকায় বেআইনি মদের ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কোতোয়ালী থানার পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার করা হয় একাধিক দেশি মদের বোতল। 

অভিযোগ, ইন্দিরা কলোনী বাজারের কয়েকটি চায়ের দোকান ও হোটেলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে মদ বিক্রি চলছে। পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, যেসব দোকান ও হোটলকে কেন্দ্র করে এই অবৈধ কারবার চলছে, সেগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে মদের ব্যবসা অনেকটাই বন্ধ করা সম্ভব হবে, পাশাপাশি দিনের বেলায় নিয়মিত পুলিশি অভিযান চালানোরও দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। 

আরও পড়ুন:- তোলাবাজি করলেই দল থেকে বহিষ্কার, বার্তা অর্জুন সিংয়ের, FIR দায়েরের পরামর্শ রাজেশ কুমারের 

তাঁদের বক্তব্য, দিনের বেলায় অভিযান হলে অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে এবং এলাকায় নেশার প্রবণতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

তৃণমূল আমলে পর্যটন দফতরেও চলত থ্রেট কালচার, এই অভিযোগে শঙ্কর ঘোষের দ্বারস্থ হন এক তরুণী। রুণীর দাবি জানিয়েছে বলেন, থ্রেট কালচারের প্রতিবাদ করায় মাইনে বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ পেতেই তদন্তের আশ্বাস দেন শঙ্কর ঘোষ। সরাসরি মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনতে ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচি শুরু করেছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই জনতার দরবারেই এই অভিযোগ তোলেন ওই তরুণী।

২০২০ সালে বাবার চাকরি পান জলপাইগুড়ির বাসিন্দা অর্পিতা দাস। তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন, প্রথমে পোস্টিং মালবাজার, পরে জলদাপাড়ায় ট্রান্সফার করা হয়। প্রতিবাদ করায় মানসিক অত্যাচার, কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছিল। দুর্নীতি, সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরব হতেই কলকাতায় বদলি করা হয়। এবং কলকাতায় কাজে যোগ না দেওয়ায় বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়  বলে জলদাপাড়ায় গিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন ওই তরুণী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *