ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, হাওড়া : ‘ঘুষ’ নেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার রেজিস্ট্রি অফিসের আধিকারিক। দুর্নীতি দমন শাখার অভিযান, উলুবেড়িয়ায় ঘুষ নেওয়ার সময় সরকারি আধিকারিক গ্রেফতার। হাওড়ার সহকারি জেলা সাব রেজিস্ট্রারের অফিসের আধিকারিক গ্রেফতার হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় গ্রেফতার হন ওই সরকারি আধিকারিক, খবর ACB সূত্রে।
২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত জেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক আধিকারিককে। এই সরকারি আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন শাখা। ওই অফিসে অভিযান চালিয়েছিল অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ। জানা গিয়েছে, ধরা পড়ার পর কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ধৃত ব্যক্তি দিতে পারেননি যে কেন তিনি টাকা নিচ্ছিলেন। ওই টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ যুক্ত কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর হাতেনাতে ঘুষ নিতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন বেশ কয়েকজন। সেই তালিকায় রয়েছেন পুলিশকর্মীও। তাও এক নয়, একাধিক। এবার পুলিশদের লোভ সংবরণের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতি দমন শাখা (ACB – Anti Corruption Bureau) অনেককেই ধরছে। এক কনস্টেবলও ধরা পড়েছে ঝাড়গ্রামে ৫ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা সমেত। এই লোভগুলো সংবরণ করতে হবে। কারণ মুরলীধর শর্মার নেতৃত্বে আমি ACB- র স্ট্রং টিম আস্তে আস্তে বানিয়ে দিচ্ছি। সব রাজ্যেই ACB শক্তিশালী এবং সক্রিয়। আমাদের রাজ্যেও ৬ মাসের মধ্যে আমরা ACB ভালোভাবে স্ট্রং করে দেব।’ শিলিগুড়ি এবং আসানসোলে ACB- র ব্রাঞ্চ হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।’
বেপাত্তা টুলু মণ্ডল, বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ীর শ্যালকের গাড়িতে এবার মিলল বিদেশি মুদ্রা
এই প্রথম নয়। এর আগেও ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে পাকড়াও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। রাজ্য পুলিশের অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ আইপিএস মুরলীধর শর্মার নেতৃত্বে তৈরি করা হয়েছে এবং সেখানে প্রচুর আইপিএস অফিসারকে নিযুক্ত করা হয়েছে। কিছুদিন আগে ঝাড়গ্রামে, বিডিও অফিসের একজন ইঞ্জিনিয়ারকে ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত ব্যাঁটরা থানার সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘুষ নেওয়ার সময়েই হাতেনাতে পাকড়াও হয়েছেন তিনি। ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। প্রিভেশন অফ করাপশন অ্যাক্টে ধৃত সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে।
এর আগে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার। জামবনির BDO অফিস থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে পাকড়াও করা হয় বিমল সাহা নামের বিডিও অফিসের ওই সাব অ্যাসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে। জানা যায়, জাববনির বিডিও অফিস থেকে ঘুষ নিচ্ছিলেন এই অভিযুক্ত ব্যক্তি। একজন কনস্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করতেন বিমল সাহা। তিনি টাকার বিনিময়ে কাজের জন্য ঘুষ নিচ্ছিলেন বলে জানা যায়।
Jobseekers Protest: ফের চাকরির দাবিতে পথে, শিয়ালদায় জমায়েত পুলিশের চাকরিপ্রার্থীদের
