তদন্তে সহযোগিতার শর্তে রক্ষাকবচ পেলেন মহুয়া মৈত্র, কী বলল হাইকোর্ট ?


সৌভিক মজুমদার, কলকাতা : তদন্তে সহযোগিতার শর্তে আদালতে রক্ষাকবচ পেলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী ১৪ অগাস্ট সশরীরে তদন্তকারী আধিকারিকের সামনে  হাজিরা দিতে হবে মহুয়া মৈত্রকে, এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে গত ২৮ জুন হোগোলবেড়িয়া থানায় দায়ের হয়েছিল FIR। ৫ অক্টোবর বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে রক্ষাকবচ, এমনই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বিস্তারিত…

মহুয়া মৈত্রকে আপাততভাবে অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে। যে রক্ষাকবচ আগামী ৫ অক্টোবর বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে হোগোলবেড়িয়া থানায় যে এফআইআর দায়ের হয়েছিল, সেই এফআইআরের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে পুলিশ তাঁকে চার বার ডেকে পাঠিয়েছে। চার বারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। এরপর তিনি রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই রক্ষাকবচ কলকাতা হাইকোর্ট দিয়েছে। কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে শর্তে কলকাতা হাইকোর্ট রক্ষাকবচ দিয়েছিল, সেই শর্ত বেঁধে দিয়ে মহুয়া মৈত্রকেও রক্ষাকবচ দেওয়া হল। অর্থাৎ, এই তদন্তের ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে। পুলিশের তরফ থেকে তাঁকে ডেকে পাঠানো হবে। সেই সময়ে তিনি হাজিরা দেবেন। যা সহযোগিতা তাঁর কাছে চাওয়া হবে, সেই সহযোগিতা তিনি করবেন। এই মর্মেই কলকাতা হাইকোর্ট রক্ষাকবচ দিয়েছে। আগামী ১৪ অগাস্ট বেলা ৩টের সময় মহুয়া মৈত্রকে হাজিরা দিতে হবে। সেই নির্দেশও কলকাতা হাইকোর্টের তরফে দেওয়া হয়েছে। পুলিশকে বলা হয়েছে, এই মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে কোনওভাবে যদি মহুয়া মৈত্র অসহযোগিতা করেন, সেই বিষয়টা হাইকোর্টে এসে জানাতে পারবে পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের একেবারে শুরুতেই কালীগঞ্জের পলাশিতে মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য় করে করে ছোড়া হয়েছিল ডিম। ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা করছিলেন তৃণমূল সাংসদ। তখন নীচে বিজেপি কর্মী ও স্থানীয়রা জড়ো হয়ে গোব্য়াক স্লোগান তোলেন। দেখানো হয় কালো পতাকা। পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ স্লোগান তোলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও। যদিও, মহুয়া মৈত্রর অভিযোগ উড়িয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বিজেপি এই সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে না। যা করছে তৃণমূল করছে। Mahua Moitra News



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *