সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, দমদম : দমদম পার্কে রাস্তায় দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য। পার্কের বাইরে রেলিংয়ে ফাঁস দেওয়া দেহ উদ্ধার। যুবকের রহস্যমৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্য, তদন্তে লেকটাউন থানার পুলিশ। মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। লেকটাউন থানা দেহ উদ্ধার করে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। যে দেহ উদ্ধার হয়েছে তার বাইরের অংশে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই বলেই জানা গিয়েছে। তবে কীভাবে ওই দেহটি ওখানে এল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃত যুবকের বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। যুবকের নাম পরিচয় জানা যায়নি এখনও। যুবকের মৃত্যু অন্যত্র হয়েছে কিনা এবং তাঁকে এখানে এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে কিনা – সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সমস্ত সম্ভাবনা মাথায় রেখেই তদন্ত শুরু করেছে লেকটাউন থানার পুলিশ। জোরকদমে চলছে তদন্ত। সাতসকালে দমদম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় এ হেন ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
বৃহস্পতিবার সকালে দমদম পার্কের কাছে ঝিল্লি পার্ক এলাকায় যাঁরা প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়েছিলেন, তাঁদের নজরেই প্রথমে আসে ওই যুবকের দেহ। গলায় গামছার ফাঁস ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। যুবকের পা মাটিতেই স্পর্শ করেছিল বলেও জানিয়েছেন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা। এরপর তাঁরাই খবর দেন লেকটাউন থানায়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। কীভাবে যুবকের দেহ এখানে এল তা জানতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। শহরের অন্যতম জনপ্রিয় এলাকা ভিআইপি রোড। তার পাশে এভাবে প্রকাশ্যে পার্কের রেলিং থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের দেহ উদ্ধার হওয়ায় স্বভাবতই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। যেহেতু যুবকের দেহ ‘পার্শিয়াল হ্যাঙ্গিং’ অবস্থায় ছিল, ফলে সন্দেহ বাড়ছে। কীভাবে যুবকের মৃত্যু হল, কীভাবে দেহ এখানে এল, যুবকের পরিচয় কী তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে লেকটাউন থানার পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানও সংগ্রহ করা হচ্ছে।
হাওড়ার বালিতে ট্যাক্সি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, প্রচুর গুলি, গ্রেফতার চালক
বালির নিশ্চিন্দার অভয়নগরে মিলল ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি। নিশ্চিন্দা থানার পুলিশকে নিয়ে তল্লাশি কলকাতা পুলিশের STF-এর। নীল-সাদা ট্যাক্সি থামিয়ে তল্লাশি, উদ্ধার ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র। চারটি ম্যাগাজিন, ২৯ রাউন্ড কার্তুজও মেলে তল্লাশিতে। জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার ট্যাক্সির চালক।
