India Total Debt: ৭২৭৮০৬১৬৮৬০০০০…অনেকটা বাড়ল ভারতের বৈদেশিক ঋণ, ঠিক কত টাকা ধার, হিসেব দিল RBI


নয়াদিল্লি: বৈদেশিক ঋণের বোঝা আরও বাড়ল ভারতের। ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ভারতের মোট বিদেশি ঋণ ৭৬২.৮ বিলিয়ন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৭২ লক্ষ ৭৮ হাজার কোটি টাকা (৭২৭৮০৬১৬৮৬০০০০)। আগের বছরের থেকে বিদেশি ঋণ বাড়ল ২৬.৩ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ২.৫১ লক্ষ কোটি। (India External Debt)

সোমবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এই পরিসংখ্যান পেশ করেছে। বৈদেশিক ঋণ বলতে বোঝায়, দেশের সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং নাগরিকরা অন্য দেশ থেকে কত টাকা ধার নিয়েছে। বিদেশের ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণ, আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার বা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণও এর মধ্যে পড়ে। (India Total Debt)

আরও পড়ুন: প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার HDFC-র চেয়ারম্য়ান হলেন, নতুন করে তরজা শুরু, মুখ খুললেন প্রাক্তন CBI ডিরেক্টরও

২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ভারতের বৈদেশিক ঋণ এবং অভ্যন্তরীণ মোট উৎপাদন বা GDP-র অনুপাত বেড়ে হয়েছে ২০.৮ শতাংশ, যা গত বছর ১৯.৮ শতাংশ ছিল। অর্থাৎ ভারতের অর্থনীতি যদি ১০০ টাকা আয় বা উৎপাদন করে, তার নিরিখে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০.৮০ টাকা। 

RBI জানিয়েছে, ভারতের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ (এক বছরের বেশি সময়ের জন্য় নেওয়া ঋণ) মার্চের শেষ পর্যন্ত ছিল ৬১৩.৫ বিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালের মার্চ শেষের তুলনায় প্রায় ১১.৬ বিলিয়ন ডলার বেশি। অন্য দিকে, স্বল্পমেয়াদি ঋণ (এক বছর পর্যন্ত সময়কালের) বেড়ে হয়েছে ১৯.৬ শতাংশ, আগে যা ১৮.৩ শতাংশ ছিল। এর ফলে সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার তুলনায় স্বল্পমেয়াদি ঋণের অনুপাত ২০.১ থেকে বেড়ে ২১.৬ শতাংশ হল। 

আরও পড়ুন: ‘শুধুমাত্র রেজিস্ট্রি যথেষ্ট নয়, সাতপাকে না ঘুরলে বিয়ে বৈধ বলে গণ্য নাও হতে পারে’, বলল আদালত

RBI যে বিষয়গুলির কথা তুলে ধরেছে, সেগুলি হল- 

  • বিশ্ববাজারে ভারতের টাকার তুলনায় আমেরিকার ডলার অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। 
  • বৈদেশিক যেহেতু ডলারে হিসেব করা হয়, তাই ডলারের দাম বাড়লে ঋণের হিসেবেও পরিবর্তন ঘটে।

যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, ডলারের দাম বাড়লে, অন্য মুদ্রায় নেওয়া ঋণের অঙ্ককে ডলারে রূপান্তরিত করলে পরিমাণ কম দেখায়। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে ভারতের প্রায় ২৪.৬ বিলিয়ন ডলারের ঋণ হিসেবে চাপা পড়ে গিয়েছে। ডলারের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি না ধরে ভারতের নেওয়া ঋণের হিসেব করি যদি, তাতে দেখা যাবে, আসলে ৫১ বিলিয়ন ডলার ঋণ বেড়েছে, যা ২৬.৩ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ২.৫১ লক্ষ কোটির প্রায় দ্বিগুণ। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *