Hindu Marriage Act: ‘শুধুমাত্র রেজিস্ট্রি যথেষ্ট নয়, সাতপাকে না ঘুরলে বিয়ে বৈধ বলে গণ্য নাও হতে পারে’, বলল আদালত


হিন্দু বিয়ে নিয়ে এবার বড় রায় গুজরাত হাইকোর্টের। আদালত জানিয়ে দিল, সাতপাকে না ঘুরে, শুধুমাত্র রেজিস্ট্রি করলে হিন্দু বিবাহ বৈধ বলে গণ্য হতে পারে না।

হিন্দু বিয়ে নিয়ে এবার বড় রায় গুজরাত হাইকোর্টের। আদালত জানিয়ে দিল, সাতপাকে না ঘুরে, শুধুমাত্র রেজিস্ট্রি করলে হিন্দু বিবাহ বৈধ বলে গণ্য হতে পারে না।

ব্রিটেন নিবাসী এক ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। দুই পরিবারের সম্মতিতে হওয়া একটি বিয়েকে অবৈধ ঘোষণা করতে রাজি হয়নি ফ্য়ামিলি কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানান ওই ব্যক্তি।

ব্রিটেন নিবাসী এক ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। দুই পরিবারের সম্মতিতে হওয়া একটি বিয়েকে অবৈধ ঘোষণা করতে রাজি হয়নি ফ্য়ামিলি কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানান ওই ব্যক্তি।

২৩ জুন সেই নিয়ে শুনানি চলাকালীন গুজরাত হাইকোর্ট জানায়, ‘সপ্তপদী’র মতো আচার-অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে, শুধুমাত্র রেজিস্ট্রি করলে কোনও হিন্দু বিয়ে বৈধ বলে গণ্য হতে পারে না।

২৩ জুন সেই নিয়ে শুনানি চলাকালীন গুজরাত হাইকোর্ট জানায়, ‘সপ্তপদী’র মতো আচার-অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে, শুধুমাত্র রেজিস্ট্রি করলে কোনও হিন্দু বিয়ে বৈধ বলে গণ্য হতে পারে না।

আদালত আরও জানিয়েছে, বিয়ে শুধুমাত্র গান-বাজনা, নাচ-গানের অনুষ্ঠান নয়। ভৌগলিক এবং সাংস্কৃতিক ভিন্নতা থাকলেও, প্রচলিত আচার-অনুষ্ঠান মানুষের আধ্যাত্মিক সত্তাকে পরিশুদ্ধ করে বলেই বিশ্বাস করা হয়।

আদালত আরও জানিয়েছে, বিয়ে শুধুমাত্র গান-বাজনা, নাচ-গানের অনুষ্ঠান নয়। ভৌগলিক এবং সাংস্কৃতিক ভিন্নতা থাকলেও, প্রচলিত আচার-অনুষ্ঠান মানুষের আধ্যাত্মিক সত্তাকে পরিশুদ্ধ করে বলেই বিশ্বাস করা হয়।

ফ্য়ামিলি কোর্টের রায় বাতিল করে আদালত জানিয়েছে, সপ্তপদী অর্থাৎ সাতপাকে ঘোরার রীতি হিন্দু বিবাহের ভিত্তি। অগ্নিকে সাক্ষী রেখে সাতপাক ঘোরেন বর-কনে, যা বিবাহকে পবিত্র ধর্মীয় সংস্কার এবং সামাজিক বন্ধনে বেঁধে ফেলে। আধ্য়াত্মিক, সামাজিক এবং আইনি মর্যাদা পায় বিবাহ।

ফ্য়ামিলি কোর্টের রায় বাতিল করে আদালত জানিয়েছে, সপ্তপদী অর্থাৎ সাতপাকে ঘোরার রীতি হিন্দু বিবাহের ভিত্তি। অগ্নিকে সাক্ষী রেখে সাতপাক ঘোরেন বর-কনে, যা বিবাহকে পবিত্র ধর্মীয় সংস্কার এবং সামাজিক বন্ধনে বেঁধে ফেলে। আধ্য়াত্মিক, সামাজিক এবং আইনি মর্যাদা পায় বিবাহ।

বিয়ে বাতিলের দাবিতে আদালতে সওয়াল করেন যে আইনজীবী, তাঁর দাবি ছিল, ওই ব্যক্তি ব্রিটেনে থাকেন। স্ত্রী থাকেন আমদাবাদে। তাঁর মক্কেল বিয়ের কথা জানতেই পারেন সার্টিফিকেট দেখে।

বিয়ে বাতিলের দাবিতে আদালতে সওয়াল করেন যে আইনজীবী, তাঁর দাবি ছিল, ওই ব্যক্তি ব্রিটেনে থাকেন। স্ত্রী থাকেন আমদাবাদে। তাঁর মক্কেল বিয়ের কথা জানতেই পারেন সার্টিফিকেট দেখে।

মামলাকারীর দাবি, হিন্দু রীতি-নীতি মেনে বিবাহ সারেননি তিনি। ওই মহিলার সঙ্গে একত্রে থাকেনওনি কখনও। ভুল বুঝিয়ে তাঁকে সই করে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন।

মামলাকারীর দাবি, হিন্দু রীতি-নীতি মেনে বিবাহ সারেননি তিনি। ওই মহিলার সঙ্গে একত্রে থাকেনওনি কখনও। ভুল বুঝিয়ে তাঁকে সই করে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন।

আদালত জানিয়েছে, আচার অনুষ্ঠান করে যে বিয়ে হয়নি, তা স্বীকার করেছেন দু’পক্ষই। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কই গড়ে ওঠেনি তাঁদের মধ্যে। তাই  ফ্যামিলি কোর্ট আবেদনকারীর আর্জিতে আমল না দিয়ে ভুল করেছে।

আদালত জানিয়েছে, আচার অনুষ্ঠান করে যে বিয়ে হয়নি, তা স্বীকার করেছেন দু’পক্ষই। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কই গড়ে ওঠেনি তাঁদের মধ্যে। তাই ফ্যামিলি কোর্ট আবেদনকারীর আর্জিতে আমল না দিয়ে ভুল করেছে।

হিন্দু বিবাহ আইনের অনুচ্ছেদ ৭-এর কথা তুলে ধরে আদালত জানায়, হিন্দু বিবাহের ক্ষেত্রে আচার-অনুষ্ঠান, ‘সপ্তপদী’ অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবেই বিবাহ সম্পন্ন হয়। হিন্দু সংস্কৃতিতে স্ত্রীকে স্বামীর অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে দেখা হয়। বিয়েতে সমান অধিকার তাঁর।

হিন্দু বিবাহ আইনের অনুচ্ছেদ ৭-এর কথা তুলে ধরে আদালত জানায়, হিন্দু বিবাহের ক্ষেত্রে আচার-অনুষ্ঠান, ‘সপ্তপদী’ অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবেই বিবাহ সম্পন্ন হয়। হিন্দু সংস্কৃতিতে স্ত্রীকে স্বামীর অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে দেখা হয়। বিয়েতে সমান অধিকার তাঁর।

হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী, বিয়ে একটি পবিত্র সংস্কার, যা নতুন পরিবারের ভিত্তিও বটে। হিন্দু বিয়ে একদিকে যেমন সংস্কার, তেমনই পবিত্র। সেকথা মাথায় রেখেই প্রত্যেকের বৈবাহিক সম্পর্কের দিকে এগনো উচিত।

হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী, বিয়ে একটি পবিত্র সংস্কার, যা নতুন পরিবারের ভিত্তিও বটে। হিন্দু বিয়ে একদিকে যেমন সংস্কার, তেমনই পবিত্র। সেকথা মাথায় রেখেই প্রত্যেকের বৈবাহিক সম্পর্কের দিকে এগনো উচিত।

Published at : 02 Jul 2026 03:07 PM (IST)

আরও জানুন খবর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *