ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : দেরি হলেই জবাবদিহি, জিরো FIR নিয়ে কড়া নির্দেশ কলকাতা পুলিশের। জিরো FIR নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি কলকাতার পুলিশ কমিশনারের। জিরো FIR দায়ের হওয়ার পর দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা পাঠাতে হবে, দ্রুত তদন্ত শুরু নিশ্চিত করতে হবে, বার্তা CP-র নতুন নির্দেশিকায়। জিরো FIR হওয়া থানার ওসি ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণকারী থানার OC-র সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করবেন OC। মামলা পাঠানোর সময় ঘটনার সমস্ত তথ্য গ্রহণকারী থানাকে জানাতে হবে। অভিযোগকারীর যোগাযোগের তথ্যও জানাতে হবে গ্রহণকারী থানাকে। পুলিশ কী কী পদক্ষেপ করছে, তা স্পষ্টভাবে অভিযোগকারীকে জানাতে হবে। যে থানায় তদন্ত হবে, সেই থানার ওসির নম্বরও অভিযোগকারীকে দিতে হবে। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের DCP-কে জানাতে হবে। জিরো FIR নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি কলকাতার পুলিশ কমিশনারের।
কাল থেকে রাজ্যে কার্যকর গুন্ডা দমন আইন। অশান্তির আঁচ পেলেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি নষ্টে গুন্ডাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত। ২৯ জুন: বিধানসভায় পাস গুন্ডা দমন সংক্রান্ত জোড়া বিল। গুন্ডাদমন আইন অনুযায়ী, ঘটনা ঘটনার আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। এছাড়া যে কোনও সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি নষ্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে গুন্ডাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করতে পারবে সরকার। এই বিল অনুযায়ী সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বলতে বলা হয়েছে, জনগণের মধ্যে আতঙ্ক, বিপদ, ভয় বা নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা। জনশৃঙ্খলা বা জনশান্তি বিঘ্নিত করা। অধিকার, বৈধ ব্যবসা, পেশা বা জীবিকার স্বাভাবিক চর্চায় বাধা সৃষ্টি। স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি থেকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ এবং সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করাকে বলা হয়েছে। এছাড়া এ বিলে গুন্ডা বলতে প্রধানত বলা হয়েছে, নিজে অথবা কোনও দল, গ্যাং বা সিন্ডিকেটের সদস্য বা নেতা হিসেবে নিয়মিতভাবে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ করেন, করার চেষ্টা করেন, উস্কানি দেন, অর্থ জোগান বা সহায়তা করেন এমন ব্যক্তিকে।
গুন্ডাদমন আইনে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার যদি – পুলিশ সুপারের নীচে নয় এমন পদমর্যাদার কোনও অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতে সনতুষ্ট হয় যে রাজ্যে কোনও গুন্ডাকে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে আটক করা প্রয়োজন, তাহলে সরকার ওই ব্যক্তিকে আটক করার নির্দেশ দিতে পারে। সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত আটক হিসেবে রাখা যাবে।
