কলকাতা : “আমি প্রমাণ করে দেব আপনার টিমের ১০ জনের ৮ জন চোর। চোর চোর চোর। আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন মদন মিত্র চোর, আমি নিজের হাতে গলা কেটে নেব। চ্যালেঞ্জ।” ‘ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এবিপি আনন্দর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক মদন মিত্র। ২১ জুলাইয়ের আগে ফের বডসড় ভাঙনের মুখে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সপরিবারের ED-র তলবের পর মঙ্গলবার রাতেই ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র সঙ্গে যোগাযোগ। রাত পোহাতেই ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ছাড়েন কামারহাটির বিধায়ক।
সুমন দে : এই যে ১০ জনের ৮ জন চোর বলছো, সে তো দেখবে ঋতব্রত শিবিরে তোমার পাশের চেয়ার বসছে।
মদন মিত্র : সেটা তো কিছু করার নেই। তার কারণ তাঁরা আল্টিমেট চলে যাবেন। এই কারণে, অভিষেক আসার পর দেখলেন, আমাকে তিনজনকে রেডি করতে হবে। যারা আমার মুখশ্রী। পার্থ, মুকুল, বক্সী। এবার ওঁদের সামনে দিয়ে পিছন থেকে উনি খেলতে শুরু করলেন। আমি বলছি, যদি ক্রিমিনাল পলিটিক্স হয়, তাহলে ক্রিমিনাল পলিটিক্সে অভিষেকের থেকে বড় ক্রিমিনাল ইন্সটিঙ্কট…বাচ্চা পলিটিসিয়ানরা। এসব সিপিএম, বিজেপি বাচ্চা। এটাও জানি। তুমি বলবে (সঞ্চালক সুমন দে-র উদ্দেশে) আপনার ভয় পাচ্ছে না ? না, এই কারণে ভয় পাচ্ছে না…এরা যখন দাঁত খসে যায় তখন এরা হাউহাউ করে। দাঁত থাকতে, থাবা থাকতে মূল্য। এখন তো কিছুদিন ঘুমাও। ভয় আউট, ভরসা ইন।
সুমন দে : তুমি যে ছবিটা আঁকছ মদন দা, অর্থাৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এত শক্তিশালী এবং তার ওপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত স্নেহাশিস, এত সুরক্ষা সেইটা যদি হত, তাহলে এই বক্তব্যের পর তোমার ওপর তাঁর ভয়ঙ্কর অত্যাচার নেমে আসত। এসেছে ?
এবিপি আনন্দ : আমি যদি বলি অত্যাচার করার মতো একটা হিম্মত থাকে। সেই মাজহালটা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই। মদন মিত্রকে হিট করার মতো মাজহাল এখনও কোনও বাপের বেটা তৈরি হয়নি। এই যে তুমি বলছ না যে, অভিষেক এই করত…মুশকিল হচ্ছে অভিষেকের পাড়ার লোক সঙ্গে নেই। একটা পাড়ার লোক সঙ্গে নেই। সিপিএম বলছে, একটা পাড়ায় ৩৭টা বাড়ি। নম্বর দিয়ে দিয়ে (দিনের পর দিন সিরিজ ‘গণশক্তি’ ছেপেছে এবং কোনও রিজয়েন্ডার তাদের দেওয়া হয়নি)।
