TMC News: ‘শুভেন্দু যে জায়গায় যাচ্ছে, ও ভস্মীভূত হয়ে যাবে’, মমতাকে তীব্র আক্রমণ মদনের, তুলনা সাদ্দাম হুসেনের সঙ্গে


কলকাতা: শিবির বদল করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছিলেন। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র।  ইরাকের প্রয়াত শাসক সাদ্দাম হুসেনের সঙ্গে মমতার তুলনা টানলেন। জানালেন, সাদ্দামের মূর্তিও একদিন ফেলে দেওয়া হয়েছিল। আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকেও ক্ষমা করেনি ইতিহাস। অভিষেকের প্রতি অপত্য স্নেহে মমতা ‘গান্ধারী’ হয়ে গিয়েছেন বলেও মন্তব্য করলেন মদন। (Madan Mitra Targets Mamata Banerjee)

বুধবার ‘কালীঘাট তৃণমূল‘ ছেড়ে ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’ যোগ দিয়েছেন মদন। দল ছাড়ার কারণ ব্যাখ্য়া করতে গিয়ে গোড়াতেই অভিষেককে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। সন্ধেয় এবিপি আনন্দে ‘ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন’ অনুষ্ঠানে এসে আবার সরাসরি মমতাকে নিশানা করেন। মদন হাতছাড়ার পর এদিন ফেসবুক লাইভে ‘লাগেজ ব্যাগেজে’র কথা শোনা যায় মমতার মুখে। মদনের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে ইডির তলবের দিকেই তাঁর ইঙ্গিত ছিল। (TMC News)

আরও পড়ুন: ‘অভিষেকের জন্যই জেলে গেলাম, ওর জন্যই শেষ মমতা’, বলেলন অনুব্রত মণ্ডল, কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন

সেই প্রসঙ্গেই মমতাকে একেবারে চাঁচাছোলা ভাষায় বিঁধলেন মদন। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি মনে করেন ভয় দেখিয়ে…আমি বিশ্বামিত্র গোত্রের ছেলে। ভস্মীভূত হয়ে যাবে। যে জায়গায় শুভেন্দু যাচ্ছে, ভস্মীভূত হয়ে যাবে। সাদ্দামের মূর্তিটা ফেলে দিয়েছিল, ভুলে যাবেন না। ইতিহাস খামেনেইকে ক্ষমা করেনি।”

মদনের শিবিরবদলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে ইডি-র তলবের সংযোগ টানছে ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র একাংশ। এদিন মমতাও সেদিকেই ইঙ্গিত করেন। সেই নিয়ে মমতাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন মদন। বলেন, “আজ হঠাৎ মনে হচ্ছে আমার, পরিবারের জন্য ভয়ে পালিয়ে গিয়েছি, তাই আপনি তাড়িয়ে দিয়েছেন। আমি এখানে বসে চ্যালেঞ্জ করছি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে, আপনি যদি দেখাতে পারেন আমাকে তাড়িয়েছেন, আমি চলে যাব। সবটাই মুখে মুখে।”

মমতা যে ‘লাগেজ-ব্যাগেজে’র কথা বলে খোঁচা দিয়েছেন, তার জবাবে মদন আরও বলেন, “আমার স্ত্রী ও ছেলের নামে (ইডি-র ডাক এসেছে) আরে ওটা তো আমার স্ত্রী, আমার পুত্র, ওটা তো তোমার পুত্র নয়! সেখানেও তো তুমি ধৃতরাষ্ট্র আর গান্ধারী! আমার তো পুত্র, স্ত্রী! অভিষেক তো তোমার পুত্র নয়! আমি যদি বলি, আমার লাগেজ ব্যাগেজ দেখাব, না তোমার দেখাব! আমি ২৭ মাস জেলে ছিলাম, একটা কয়েন অবধি পায়নি। কারা আপনার ডান দিকে, কারা বাঁ দিকে ছিলেন? নাম আমি বলব না। আপনি আমাকে বললেন আজও যে ব্যাগেজ…তোমার কী ব্যাকগ্রাউন্ড আমি জানি না। মদন মিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ড হচ্ছে, ১৮৭৫ সালের বাড়ি, তিন জন সন্ধেয় রোজ বসত, স্যর রাজেন মুখোপাধ্যায়, স্যর আশুতোষ আর রায়বাহাদুর সতীশচন্দ্র মিত্র, আমার ঠাকুরদা, ফার্স্ট ইন্ডিয়ান চিফ ইঞ্জিনিয়ার। আমি সেই বাড়ির ছেলে। আমার স্ত্রীকে ডেকেছে আমি আইনজীবী পাঠাব না! আমি তো কারও জবরদখল করতে যাইনি!”

আরও পড়ুন: ভারতের পরমাণু-তথ্য বেহাত হয়ে গেল, ১৯০০০ ফাইল ফাঁস করে দিল World Leaks, এই সংস্থা থেকে…



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *