CRPF Deployment : পশ্চিমবঙ্গ থেকে দ্রুততার সঙ্গে ২০ কোম্পানি CRPF দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র, নজরে কী ?


নয়াদিল্লি : রাজধানীর বুকে ককরোচ জনতা পার্টির জোরদার প্রতিবাদ। বিক্ষোভ চলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিল কেন্দ্র। অতিরিক্তি ২০ কোম্পানি CRPF মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অবিলম্বে রাজধানীতে এই নিরাপত্তাবাহিনীর মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়ার পর, পশ্চিমবঙ্গ থেকে আকাশপথে উড়িয়ে নিয়ে আসা হয় সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ)-এর এই কোম্পানিগুলিকে। নিরাপত্তা বিভাগের সরকারি সূত্র পিটিআই-কে জানিয়েছে যে, সিজেপি (CJP)-র প্রতিবাদ কর্মসূচি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিক্ষোভ এবং সংসদের চলমান অধিবেশনের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করতে কলকাতা থেকে আকাশপথে সিআরপিএফ (CRPF)-এর মোট ২০টি কোম্পানিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটায় এই জরুরি বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তাঁরা জানান, কয়েক মাস আগে হওয়া পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সময় এই কোম্পানিগুলিকে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছিল এবং রাজ্য সরকারের অনুরোধেই সেগুলোকে সেখানে রেখে দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, সিআরপিএফ-এর একটি কোম্পানিতে প্রায় ১০০ জন সদস্য থাকেন। আধিকারিকদের মতে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) বিক্ষোভ এবং ২০ জুলাই শুরু হওয়া সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লি পুলিশকে সিআরপিএফ ও তাদের বিশেষ অশান্তি-বিরোধী ইউনিট ‘র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স’ (আরএএফ)-এর প্রায় ৩০টি কোম্পানি সরবরাহ করেছে।

প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন ঘিরে উত্তাল দিল্লি। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের অদূরে বিক্ষোভে বসেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীরা। প্রশ্নপত্র ফাঁস আটকানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্য়াগের দাবি তোলেন তাঁরা। রাহুল গান্ধীদের সঙ্গে কথা বলতে গেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তবে কাজের কাজ হয়নি। শেষে টানতে টানতে রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীদের বাসে তোলে পুলিশ।

ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা নিটে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে দিল্লিতে আন্দোলনের ঝাঁঝ ক্রমশ বাড়ছে। সোমবার সংসদ অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার তার সরাসরি আঁচ পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে। আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতে সেখানে পৌঁছে গেলেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা। ছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। পুলিশ ধর্না তুলতে এলে বাধল খণ্ডযুদ্ধ। মাটিতে শুয়ে পড়েন রাহুল গান্ধী। সেখান থেকে তাঁকে টেনে হিঁচড়ে পাঁজাকোলা করে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হয় প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকেও। রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে আটক করে বাসে তোলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশ। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার জীবন নিয়ে ছেলেখেলার অভিযোগে, নিটে প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্য়াগের দাবিতে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে ধর্না শুরু হয়। সেখানে যোগ দেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীরা। 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *