কলকাতা: ‘কালীঘাট তৃণমূল’ -এর পর এবার উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রত শিবিরের নন্দীগ্রামের প্রার্থী হলেন মহম্মদ এতেসামূল হক। অন্যদিকে, রেজিনগরে ‘ঋতব্রত তৃণমূল’-এর প্রার্থী হলেন সফিউজ্জামান শেখ। আমরাই তৃণমূল কংগ্রেস, এদিন বললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৪ সেপ্টেম্বর একটি সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রার্থী ঘোষণা করে ‘ঋতব্রত তৃণমূল’। এ ছাড়াও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন,আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর দলীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেবেন প্রার্থীরা। এরপর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “আমরাই তো অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। আমরা তো অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস থেকেই প্রার্থী দেব। প্রার্থী আজ ঘোষণা করা হল। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের মিটিং হয়েছে। তারপরই আমরা প্রার্থী ঘোষণা করলাম। বাকি কারও দায় দায়িত্ব আমরা নিতে পারব না।”
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বৈঠকে বলেন, “আমরা যেটা বারবার বলেছিলাম, যে ডক্টর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যেহেতু তিনি এবারের নির্বাচনের জিততে পারেনি, গত বছরের মতোই। এবং খুব দুঃখজনক ভাবে নিজের পাড়ায়, নিজের বুথে, নিজের ওয়ার্ডে, নিজের বিধানসভায় পরাজিত হয়েছেন, তাই আমাদের মনে হয়েছিল অতীতের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই আবার উপনির্বাচনে প্রার্থী হবেন। সেই নন্দীগ্রাম, যেখানে তিনি গত বছর হেরে গিয়েছিলেন। স্বাভাবিক ভাবে আমাদের বক্তব্য ছিল যদি ডক্টর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হতেন, আমরা আমাদের প্রার্থী পদ ওঁর সমর্থনে তুলে নিতাম। আমরা চাই উনি ভোটে জিতে বিধানসভায় আসুন।”
আরও পড়ুন: আমেরিকান সংস্থা পারেনি, ক্র্যাশ করেছিল ওয়েবসাইট, তাদেরই রোজ টেক্কা দিচ্ছে IRCTC
কিন্তু কোন প্রতীক আঁকবেন তাঁরা? এখানেও স্পষ্ট বক্তব্য রাখলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বললেন, “আমরা জোড়া ফুলের ছবি আঁকব। আমাদের যেটা প্রতীক। সেই প্রতীকই আঁকব। দুটো কেন্দ্রেই, রেজিনগর কেন্দ্রে সফিউজ্জামান শেখ, ঘাসের উপর জোড়া ফুল, অন্যদিকে নন্দীগ্রামে মহম্মদ এতেসামূল হক, ঘাসের উপর জোড়া ফুল চিহ্নে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস একক ভাবেই লড়বে।”
NCPI News: “BJP আমাদের NCPI-তে নিয়ে গেছে”, বললেন জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া | ABP Ananda
