কলকাতা: NRS হাসপাতালে অন ডিউটি নার্সের রহস্যমৃত্যু। গাইনি বিভাগের শৌচাগারে মিলল কর্মরত নার্সের দেহ। কীভাবে মৃত্যু নার্স রূপালি বর্মনের? এখনও ধোঁয়াশা। HDU-তে ডিউটি চলার সময়েই প্রথমে নিখোঁজ হন তিনি, তারপরে দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। ভিতর থেকে বন্ধ, হাসপাতালের দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহের পাশে মিলল অচৈতন্য করার ইঞ্জেকশনের ৩টি ভায়াল। অচৈতন্য করার ফেন্টানিল, মিডাজোলামের ভায়াল মেলায় বাড়ছে রহস্য। প্রশ্ন, আত্মহত্যা হলে কীভাবে ২ কনুইয়ে সূচ ফোটার চিহ্ন ?
কনুইয়ের শিরায় দেওয়া হয়েছে ইঞ্জেকশন, অনুমান করেছেন চিকিৎসকদের একাংশ। আবার কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, তাও স্পষ্ট করে উল্লেখ নেই ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে। ফরেন্সিক-প্যাথলজি রিপোর্টের অপেক্ষায় চিকিৎসকরা। ডিউটিতে থাকাকালীন রাত সাড়ে ৯টা থেকে নিখোঁজ হয়ে জান তিনি, তারপর রাত ১১টা নাগাদ দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করা হয়। ঠিক কীভাবে মৃত্যু অন ডিউটি নার্সের? এই প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। মেয়ের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন বাবা অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়। আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? কী জানালেন তিনি ?
বাবার কী বক্তব্য ?
মৃত নার্স-এর বাবা জানান, ”নাইট ডিউটি ছিল। ১১.৩০ টা ১২ টা নাগাদ ফোন আসে, জামাই ফোন করে বলছে নেই। তারপর কিছুক্ষণ পর বলছে, আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে। আবার কিছুক্ষণ পর সুরাইয়া ফোন করে বলল, রূপালির বান্ধবী, সে বলে নেই।” তিনি আরও বলেন যে, ”আমরা বুঝতে পারছি না, কীভাবে মৃত্যু হল একটু দেখবেন। আমরা সঠিক তদন্ত চাইছি।
কলকাতা মেডিক্যালে ময়নাতদন্তের আগে চাঞ্চল্যকর তথ্য
রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, এনআরএস-এ যে নার্সের রহস্যমৃত্যু হয়েছে, তাঁর ময়নাতদন্ত এনআরএস-এ নয়, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে হবে। এবং ইতিমধ্যেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে সেই ময়নাতদন্ত শুরু হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক ডিপার্টমেন্ট কলেজের ফরেন্সিক ডিপার্টমেন্টের যিনি প্রধান, তিনি এই ময়নাতদন্ত করছেন। তবে এই ময়নাতদন্তের আগে একটি ইনকোয়েস্ট (Inquest) হয়েছে এনআরএস-এ। ইনকোয়েস্টে যে বিষয়গুলি নজরে এসেছে, তার মধ্যে অন্যতম, তার কনুইতে নিডল প্রিক ছিল, এবং দুটো কনুইতেই নিডল প্রিক ছিল।
(স্টোরিটি এই মুহূর্তে ব্রেক করা হয়েছে, আপডেট করা হচ্ছে I সাম্প্রতিকতম আপডেট পেতে রিফ্রেশ করুন)
