এল নিনোর প্রভাবে ভয়ানক প্রভাব পড়বে সারা বিশ্বের আবহাওয়াতেই। কোথাও অতিবৃষ্টি তো, কোথাও অনাবৃষ্টি। আর প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনায় বাড়তে পারে খাদ্য সঙ্কট। এই আশঙ্কার কথা বেশ কয়েক মাস ধরেই শুনিয়ে আসছেন আবহবিদরা। এবার শীতকালীন ঝড়ের আশঙ্কায় ক্যালিফোর্নিয়ায় রাজ্যজুড়ে জারি হল জরুরি অবস্থা । ঘোষণা করলেন গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। এল নিনোর প্রভাবে এই ঝড় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গভর্নর ,তাঁর সরকারি ওয়েবসাইটে জানিয়েছেন, জরুরি অবস্থা ঘোষণার কথা। ঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতিও চরমে। নিউসমের দফতরের তরফে বলা হয়েছে, এল নিনো পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রেকর্ড ভেঙেছে। আবহবিদদের আশঙ্কা, আগামী দিনে এল নিনোর শক্তি আরও বাড়তে পারে। হয়ত এই এল নিনো ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো হয়ে উঠতে পারে।
স্থানীয় প্রতিবেদন সূত্রে খবর, প্রশান্ত মহাসাগর থেকে একের পর এক ঝড় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার দিকে এগিয়ে আসছে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই আমেরিকার বেশ কয়েকটি জায়গায় স্থানীয়ভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে, জানিয়েছে লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস।
নিউসম ঘোষণা করেছেন, চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য ক্যালিফোর্নিয়া প্রস্তুত। ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়
প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত প্রশাসন। এছাড়া জড়ো করা হচ্ছে ঝড় পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য
প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম । গভর্নর ঘোষণা করেছেন, এল নিনোর জন্য আমরা আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়া।
আবহবিদরা মনে করছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দাদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। ‘এল নিনো’ (El Niño) ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে।এই শরৎ ও শীতকালে অত্যন্ত শক্তিশালী রূপ নিতে পারে । এখনই প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেশি, আর এই উষ্ণতা আগামী মাসগুলোতে আরও বাড়বে। যার জেরে একের পর এক ঝড় তৈরি হতে পারে।
প্রশান্ত মহাসাগরের উপরের স্তরের তাপমাত্রা বাড়ছে। সক্রিয় হয়েছে এল নিনো পরিস্থিতি। আগামী কয়েক মাসে আরও শক্তিশালী হয়ে ‘অত্যন্ত প্রবল’ পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে। তার প্রভাব অন্তত ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা। WMO-এর পূর্বাভাস বলছে, এল নিনো ২০২৬ সালের শেষ দিকে সবথেকে বেশি প্রভাব ফেলবে। এই বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, রীতিমতো তীব্র প্রভাব দেখাতে পারে এল-নিনো , এবং তার আশঙ্কা ১০০ শতাংশ। এতটা স্পষ্ট সম্ভাবনা আগে দেখা যায়নি।
Gautam Deb:তৃণমূলকে নিয়ে তাঁর ১৩ বছর আগের ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ আজ কার্যত বাস্তব, কী বলছেন গৌতম দেব?
