কলকাতা : ভোটের ঠিক দু’দিন আগে থেকেই শুরু হচ্ছে ‘সাইলেন্ট পিরিয়ড’। এই সময়ে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোটরবাইক চলাচলের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে বিস্তারিত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।
রাতের সময় বাইক চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা
নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরবাইক ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। এই সময় কোনওভাবেই বাইক নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া যাবে না, যদি না তা অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে।
দিনের বেলায় পিলিয়ন রাইডিং নিষিদ্ধ
সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো গেলেও, চালকের পিছনে কাউকে বসানো যাবে না। অর্থাৎ, পিলিয়ন রাইডিং সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিয়ম বিশেষ করে ভোটের আগে দিনের সময়েও নজরদারি বাড়ানোর জন্যই কার্যকর করা হয়েছে।
কারা পাবেন ছাড়?
নির্বাচন কমিশন কিছু ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ থেকে ছাড় দিয়েছে। যেমন—
- জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা
- পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মী
- অফিসযাত্রী (আই-কার্ড দেখাতে হবে)
- অ্যাপ-ভিত্তিক পরিষেবা যেমন ফুড ডেলিভারি, ই-কমার্স
- সামাজিক অনুষ্ঠান বা পারিবারিক জরুরি কাজ
- বিশেষ ক্ষেত্রে লিখিত অনুমতি বাধ্যতামূলক
জরুরি কারণ ছাড়া অন্য কোনও কাজে বাইক নিয়ে বের হতে হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার থানার কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। এই নিয়ম না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
ভোটের দিন কী নিয়ম থাকবে?
ভোটের দিন (পোল ডে) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট দিতে যাওয়া বা জরুরি প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করা যাবে। তবে সেক্ষেত্রেও নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ভিড় বা জমায়েত এড়াতে হবে।
কেন এই বিধিনিষেধ?
নির্বাচনের সময় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বাইক ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা অবৈধ কার্যকলাপ ঠেকাতেই কমিশন এই কড়া নিয়ম চালু করেছে।
এই নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার পর প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী যৌথভাবে নজরদারি চালাবে, যাতে কোনওভাবেই আইন ভঙ্গ না হয়।
কাল প্রথম দফায় কারা ভোট দিতে পারবে তা স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টে ভোররাতে ট্রাইব্য়ুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। সংযোজন ও বিয়োজন দুইয়ের তালিকায় প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। যে বুথগুলিতে ট্রাইব্য়ুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি নেই, সেখানে ক্লিক করলেই তা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে ।
