কলকাতা: প্রথম দফার পর নির্বিঘ্নে ভোট করতে দ্বিতীয় দফার আগেও ধরপাকড়। অশান্তির আশঙ্কায় পুলিশের গ্রেফতারির সংখ্যা ২০০০ ছাড়াল। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে গতকাল রাতে গ্রেফতার ৮০৯ জন। এর আগে ১ হাজার ৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই নিয়ে দ্বিতীয় দফার আগে মোট গ্রেফতার ২ হাজার ৩৫২ জন। কাল দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় ৭ জেলার ১৪২ আসনে ভোট।
আরও পড়ুন, যোগীরাজ্যের IPS অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে মামলায় হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে গন্ডগোল পাকানোর আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই ২ হাজারের বেশি জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভোট নিরাপত্তায়, ২৬ জন অতিরিক্ত পুলিশ অফিসারকে পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন পুলিশ কমিশনারেট এবং পুলিশ জেলায়। ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গেছে এই অশান্তির ছবি। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে গন্ডগোল পাকানোর আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই ২ হাজারের বেশি জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যার মধ্যে সোমবার রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে ৮০৯ জনকে।
কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ বলেছেন, কোনওরকম কমপ্লেন হলে ইলেকশন কমিশনের CEO অফিস থেকে চালু করে, DEO অফিসের ফোন নম্বর দেওয়া আছে। লালবাজারের কন্ট্রোল রুম নম্বর আছে। ১০০, ১১২ একটা ১৯৫০ নম্বর আছে ECI-এর। যার কোনও অভিযোগ থাকবে ওই নম্বরেও জানাতে পারে, ইমিডিয়েটলি পুলিশ যাবে। পাশাপাশি ভোট নিরাপত্তায়, ২৬ জন অতিরিক্ত পুলিশ অফিসারকে পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন পুলিশ কমিশনারেট এবং পুলিশ জেলায়। যার মধ্যে ব্য়ারাকপুরে ৪ জন ডায়মন্ড হারবারে ৩ জন অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকাতেও অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, যে সব জেলায় প্রথম দফার নির্বাচন শেষ হয়েছে সেখান থেকে অতিরিক্ত পুলিশ অফিসারদের আনা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপি প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, আমরা তো আশা করবই যে ছবি বদলানো উচিত। নির্বাচন কমিশন যে সব আশ্বাস দিয়েছেন সেগুলো কার্যকরী হবে। সাধারণ বাঙালিরা তারা তাদের সমস্ত কিছু, বিশেষ করে গণতান্ত্রিক অধিকার তাদের বাজেয়াপ্ত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস সবার শেষে গত ১৫ বছর ধরে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০ ৩৪৫ ০০০৮ এই নম্বরে জানানো যাবে অভিযোগ।
