Headlines

Ketan Agarwal Murder: মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় স্বামীকে পাহাড় থেকে ফেলে হত্যা ! অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশী এখন কোথায়?


পুণে: পুণের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল খুনের মামলায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। এরই মধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে লোকজন তুলনা করছেন ইনদৌরের ব্যবসায়ী  রাজা রঘুবংশী হত্যার ঘটনার সঙ্গে। পুণের ঘটনা সামনে আসতে মুখ খুলেছেন মেঘালয়ে হানিমুনে গিয়ে মৃত রাজা রঘুবংশীর মা উমা রঘুবংশীও। তাঁর দাবি, সোনম রঘুবংশীর জামিন পাওয়াই সিয়া গোয়ালের মতো অভিযুক্তদের উৎসাহিত করেছে। হ্যাঁ, মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা ও হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন যে সোনম, তিনি এখন জামিনে মুক্ত। জেলের বাইরে। সেই ঘটনার কথা সামনে এনেই উমা রঘুবংশীর ব্যক্তিগত  মতামত, সোনমের মতো মেয়েরা জামিনে মুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায় বলেই , সিয়ারা আবার এমন ঘটানোর সাহস পেয়ে যায়।   

‘একই কায়দায় খুন’

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে উমা রঘুবংশী বলেন, সাম্প্রতিক পুণের ঘটনাটি তাঁর ছেলে রাজা রঘুবংশীর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিল রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, “যেভাবে আমার ছেলে রাজাকে পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, ঠিক একইভাবে কেতন আগরওয়ালকেও দুর্গের খাদে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।” তিনি আরও বলেন, এই ধরনের ঘটনায় অভিযুক্ত দ্রুত জামিন পেয়ে গেলে অন্য অভিযুক্তরাও মনে করতে পারেন যে অপরাধ করেও পার পাওয়া সম্ভব।

‘সরকার ও বিচারব্যবস্থাকে কঠোর হতে হবে’

উমা রঘুবংশীর দাবি, স্বামী বা হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, “সরকার এবং বিচারব্যবস্থাকে এবার কঠোর হতে হবে। না হলে এই ধরনের অপরাধ বাড়তেই থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “সোনম, মুসকান এবং সিয়া—এই তিনজনেরই কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিত।” এটি উমাদেবীর ব্যক্তিগত মতামত। 

রাজার ভাইও তুলনা টানলেন

রাজা রঘুবংশীর ভাই বিপিন রঘুবংশী-ও পুনের ঘটনাকে তাঁদের পরিবারের মামলার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, একের পর এক প্রেম বা বাগদানের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে খুনের অভিযোগ সামনে আসছে। যদি অভিযুক্তদের মনে হয় যে কিছুদিন পরে জামিন পাওয়া যাবে বা কঠোর শাস্তি এড়ানো সম্ভব, তাহলে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ আরও বাড়তে পারে।

কী এই কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলা?

পুলিশের অভিযোগ, পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালকে তাঁর বাগদত্তা সিয়া গোয়াল এবং সহ-অভিযুক্ত চেতন চৌধুরী পরিকল্পনা করে লোহগড় দুর্গে নিয়ে গিয়ে খাদে ফেলে হত্যা করেন। তদন্তকারীদের দাবি, সিয়া বিয়ে করতে চাইছিলেন না এবং তাঁর সঙ্গে চেতন চৌধুরীর সম্পর্ক ছিল। যদিও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। পুলিশ বর্তমানে ঘটনাস্থল পুনর্নির্মাণ, ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ এবং প্রত্যক্ষ ও পরিস্থিতিগত প্রমাণ খতিয়ে দেখছে। 

 

আরও পড়ুন : শিমলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা! গাড়ি সটান গভীর খাদে, মৃত্যু সকলের



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *